হাওড়ায় (Howrah) ফের উচ্ছেদ অভিযান। সোমবার গভীর রাতে সলপ বাজারে বুলডোজার চালিয়ে রাস্তার ধারে থাকা একাধিক অস্থায়ী দোকান ভেঙে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে উত্তর হাওড়ার সালকিয়াতেও বুলডোজার (Bulldozer)  দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক (Ex TMC MLA) গৌতম চৌধুরীর একটি কার্যালয়। একই সঙ্গে বালিখাল এলাকায় ২৫টি দোকান-সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানকে চার দিনের মধ্যে সরে যাওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: PF-এর উর্ধ্বসীমায় এক যুগ পরে বদল! পরিবর্তন বেতনের হিসেব

সূত্রের খবর, সোমবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ সলপ বাজারে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান। চলে প্রায় রাত ২টো পর্যন্ত। হাওড়া-আমতা রোডের ধারে থাকা একাধিক অস্থায়ী দোকান ও খাবারের দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়। আচমকা মাঝরাতে এই অভিযান ঘিরে এলাকায় ছড়ায় চাঞ্চল্য। সলপ বাজার হাওড়া-মুন্সিরহাট-আমতা রোডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাজার এলাকা। দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার দু’পাশে একাধিক অস্থায়ী দোকান গড়ে উঠেছিল। প্রশাসনের তরফে কয়েক দিন আগে দোকানদারদের সরে যাওয়ার নোটিস দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, নোটিশের পরেও দোকান না সরায় শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। তবে পুজোর আগে দোকান ভেঙে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার সকালে উত্তর হাওড়ার সালকিয়ায় বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একটি কার্যালয়। পুরসভার তরফে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে খবর। অভিযোগ, গঙ্গার ধারে সরকারি জায়গা দখল করে ওই কার্যালয়টি তৈরি করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত এদিন পুরসভার অভিযানে কার্যালয়টি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। গৌতম চৌধুরী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তর হাওড়ার বিধায়ক ছিলেন। অন্যদিকে, বালিখালে ৫৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ডের উল্টো দিকে থাকা ২৫টি দোকান, দু’টি সাইকেল গ্যারেজ, একটি অটোস্ট্যান্ড এবং একটি ক্লাবকে চার দিনের মধ্যে সরে যাওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই এলাকায় রাস্তা মেরামতির কাজের জন্য জায়গা খালি করতেই এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পুজোর মুখে পর পর এই উচ্ছেদ অভিযানে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা।