ভিবি-জি রাম জি প্রকল্পে কড়াকড়ি শুরু হতেই গ্রামগঞ্জে শ্রমিকের দেখা মিলছে না। একসময় একশো দিনের কাজের জন্য যেখানে শ্রমিকদের ভিড় লেগে থাকত, এখন সেখানেই অনেকটাই ফাঁকা ছবি। নিরীহ স্ট্রমিকদের উপস্থিতি যাচাই করতে এমন কড়াকড়ির জন্য কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তারা অসহায় হয়ে পড়ছেন কেন্দ্রের এই প্রকল্পে এমন কড়াকড়ির বিরুদ্ধে তারা তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন।অভিযোগ, এই প্রকল্পে দিনে অন্তত তিনবার বায়োমেট্রিক পরিচয়পর্ব আপলোড করতে হচ্ছে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে পোর্টালে তাঁদের উপস্থিতি স্ক্যান না হওয়ায় কাজ ছেড়ে শ্রমিকদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বায়োমেট্রিক তথ্য আপলোড না হলে পারিশ্রমিক মিলবে না। ফলে পরের দিন সরকারি কাজের উপর নির্ভর না করে অন্যত্র দিনমজুরির কাজে তাঁরা চলে যাচ্ছেন। তার উপর কাজের গুণমান কম হলে পারিশ্রমিকও অনেক সময় কমে যায়। এসবের জেরে স্বাভাবিকভাবেই সরকারি কাজে শ্রমিকরা উৎসাহ হারাচ্ছেন।
তাঁদের কথায়, এমনিতেই এই কাজের পারিশ্রমিক কম এবং তা নিয়মিতও নয়। অন্যত্র দিনমজুরির কাজ করলে তুলনামূলক বেশি টাকা মেলে। ফলে তাঁরা সরকারি কাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। মহিষকুচি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের শালডাঙ্গায় নদীর পাড়বাঁধের কাজ শুরু হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা সোনারাম মোদক নিয়মিত তিনদিন কাজ করেছেন। সোমবারও কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে মাঠে কাজ শুরু করেন। কিন্তু বায়োমেট্রিক পরিচয়পর্ব আপলোড করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকলে পরিস্থিতি খুবই জটিল হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ। বহুবার চেষ্টা করেও উপস্থিতি আপলোড না হওয়ায় তাঁকে শেষমেশ বাড়ি ফিরে যেতে হয়। রামপুরের বাসিন্দা তপন দাসের সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটে। সোনারাম বেশ হতাশ হয়ে বললেন, ‘দিনমজুরি করে সংসার চলে। সরকারি কাজে গিয়ে যদি বায়োমেট্রিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য আপলোড না হয়, সেই দায় কি আমার? অর্ধেক দিন চলে যাওয়ায় অন্য কোথাও আর কাজ পেলাম না।
















