কলকাতা ২৯°সে
ব্রেকিং
ধর্ষক-জঙ্গিদের ধরতে কি এতটাই সক্রিয়? ছেলের আটকের খবরে সরকার-পুলিশকে নিশানা অভিজিতের মায়েরধর্ষক-জঙ্গিদের ধরতে কি এতটাই সক্রিয়? ছেলের আটকের খবরে সরকার-পুলিশকে নিশানা অভিজিতের মায়েরদীপকেদের পরে বিক্ষোভস্থল থেকে আটক বামনেত্রী নেহা!চূড়ান্ত দমন! শান্তিপূর্ণ অবস্থান থেকে গ্রেফতার মমতা, প্রিজন ভ্যানে করে ঘোরচ্ছে দিল্লি পুলিশ! ক্ষুব্ধ তৃণমূল সুপ্রিমোকোথায় নিয়ে যাওয়া হল অভিজিত-সৌরভদের, মুখে কুলুপ প্রশাসনেরজ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বামেদের মিছিল! M.A. বেবি-সহ আটক একাধিক শীর্ষ নেতাদিল্লি বিমানবন্দরে নামার আগেই প্লেন থেকে আটক অভিজিৎ-আশুতোষ-সৌরভরাবাড়ি থেকে আটক ইউটিউবার ধ্রুব, দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা অভিজিতদের!যন্তর মন্তরে ড্রোন নজরদারি, CJP সমর্থকদের জমায়েত শুরু হতেই ধরপাকড় পুলিশেরবিমানবন্দর থেকে যন্তরমন্তর, ককরোচদের আটকাতে দিল্লি জুড়ে পুলিশ-আধাসেনার বাড়বাড়ন্তধর্ষক-জঙ্গিদের ধরতে কি এতটাই সক্রিয়? ছেলের আটকের খবরে সরকার-পুলিশকে নিশানা অভিজিতের মায়েরধর্ষক-জঙ্গিদের ধরতে কি এতটাই সক্রিয়? ছেলের আটকের খবরে সরকার-পুলিশকে নিশানা অভিজিতের মায়েরদীপকেদের পরে বিক্ষোভস্থল থেকে আটক বামনেত্রী নেহা!চূড়ান্ত দমন! শান্তিপূর্ণ অবস্থান থেকে গ্রেফতার মমতা, প্রিজন ভ্যানে করে ঘোরচ্ছে দিল্লি পুলিশ! ক্ষুব্ধ তৃণমূল সুপ্রিমোকোথায় নিয়ে যাওয়া হল অভিজিত-সৌরভদের, মুখে কুলুপ প্রশাসনেরজ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বামেদের মিছিল! M.A. বেবি-সহ আটক একাধিক শীর্ষ নেতাদিল্লি বিমানবন্দরে নামার আগেই প্লেন থেকে আটক অভিজিৎ-আশুতোষ-সৌরভরাবাড়ি থেকে আটক ইউটিউবার ধ্রুব, দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেফতার হওয়ার সম্ভাবনা অভিজিতদের!যন্তর মন্তরে ড্রোন নজরদারি, CJP সমর্থকদের জমায়েত শুরু হতেই ধরপাকড় পুলিশেরবিমানবন্দর থেকে যন্তরমন্তর, ককরোচদের আটকাতে দিল্লি জুড়ে পুলিশ-আধাসেনার বাড়বাড়ন্ত
জীবনধারালাইফস্টাইল

মার নয়, ভালোবাসা হোক শিক্ষার চাবিকাঠি: শিক্ষার্থীদের শাসন নিয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

অনেকের যুক্তি, “মাঝে মধ্যে একটু-আধটু মারলে ক্ষতি কী? এতে তো বাচ্চার জেদ কমে, পড়াশোনায় মন বসে।” কিন্তু আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞান কী বলছে?

মার নয়, ভালোবাসা হোক শিক্ষার চাবিকাঠি: শিক্ষার্থীদের শাসন নিয়ে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

“মারলে মানুষ হয়”— যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই চেনা প্রবাদটি আজও আমাদের সমাজের একটা বড় অংশের মনে গেঁথে রয়েছে। পড়াশোনায় মন না বসালে, পরীক্ষায় কম নম্বর পেলে বা একটু অবাধ্য হলেই সন্তান কিংবা শিক্ষার্থীকে প্রহার করা বা শারীরিক শাস্তি দেওয়াকে অনেকেই শাসনের অপরিহার্য অঙ্গ বলে মনে করেন। অনেকের যুক্তি, “মাঝে মধ্যে একটু-আধটু মারলে ক্ষতি কী? এতে তো বাচ্চার জেদ কমে, পড়াশোনায় মন বসে।” কিন্তু আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞান কী বলছে? মারধর কি আদৌ শিক্ষার্থীর কোনও উপকার করে, নাকি এর আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে বড় কোনও মানসিক বিপর্যয়?

আরও পড়ুন: মহালয়ায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, রেড রোডে তারকাদের সঙ্গে পা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী

ভয়ের আড়ালে চরম ক্ষতি: মনোবিদদের বিশ্লেষণ

আধুনিক মনোবিজ্ঞানী এবং শিশু বিশেষজ্ঞদের মতে, শাসনের নামে শিক্ষার্থীদের মারধর বা শারীরিক নির্যাতন উপকারের চেয়ে চরম অপকারই বেশি করে— তা সে নিয়মিত হোক কিংবা মাঝে মধ্যে। মনোবিদদের মতে, শারীরিক শাস্তি সাময়িকভাবে কোনও শিশুকে ভয় দেখিয়ে শান্ত বা বাধ্য করতে পারলেও, দীর্ঘমেয়াদে তা তার মানসিক, আবেগগত ও বৌদ্ধিক বিকাশের অপূরণীয় ক্ষতি করে।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মারধরের ফলেও শিক্ষার্থীদের মনে বেশ কিছু গভীর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, সেগুলি কী আসুন জেনে নিই- 

ভয় ও আত্মবিশ্বাসের অভাব

মারের ভয়ে শিশুরা সাময়িকভাবে পড়া মুখস্থ করতে পারে, কিন্তু বিষয়ের প্রতি তাদের স্বাভাবিক আগ্রহ ও সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। এর ফলে তাদের মধ্যে এক ধরণের স্থায়ী ভীতি তৈরি হয়, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়। তারা নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পায়।

আরও পড়ুন: জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি, সাধারণ মানুষ প্রতিবাদকে এত ভয়! দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ অভিষেকের

জেদ ও আগ্রাসী মনোভাব বৃদ্ধি 

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু শাসনের নামে শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়, তাদের আচরণেও পরবর্তীতে চরম জেদ ও আগ্রাসী ভাব প্রকাশ পায়। তারা মনে করতে শুরু করে যে কোনও সমস্যার সমাধান জোর খাটিয়ে বা মারামারি করেই করতে হয়।

লেখাপড়া ও স্কুলের প্রতি তীব্র ক্ষোভ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বাড়িতে মারধর করলে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া এবং স্কুলকে এক ধরণের ‘টর্চার সেল’ (Torture Cell) বা অত্যাচার কেন্দ্র হিসেবে দেখতে শুরু করে। এর ফলে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে স্কুল পালানো বা মাঝপথে স্কুলছুটের প্রবণতা দেখা যায়।

আরও পড়ুন: দীর্ঘ ২৯ বছরের দাম্পত্যে আজও অটুট প্রেম, শ্রদ্ধা! বরের জন্মদিনে আবেগে ভাসলেন অপরাজিতা

ভবিষ্যতে মানসিক অবসাদ

অনবরত বা মাঝেমধ্যেই শারীরিক শাস্তি ও লাঞ্ছনা শিশুকে হীনমন্যতায় ভোগায়। মনোবিদদের মতে, এই ধরণের শিশুরা বড় হয়ে তীব্র মানসিক অবসাদ (ডিপ্রেশন), অ্যানজাইটি (উদ্বেগ) এবং ব্যক্তিত্বের নানা সমস্যায় ভোগে।

আইন কী বলছে?

বিশ্বের বহু দেশের মতো ভারতেও শিশুদের সুরক্ষায় কঠোর আইন রয়েছে। শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act, 2009)-এর ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী, স্কুলগুলিতে শিক্ষার্থীদের যে কোনও ধরণের শারীরিক শাস্তি (Corporal Punishment) বা মানসিক হেনস্থা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন বলছে, শাসনের নামে শিশুর গায়ে হাত তোলার অধিকার কারও নেই।

আরও পড়ুন: ‘বিইং দ্য সলমন খান’: অভিনয়ের ‘এ টু জেড’ শেখাতে নতুন চ্যানেল খুললেন সলমন খান

মারধরের বিকল্প কী? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

মনোবিদ ও শিক্ষাবিদদের মতে, ‘শাসন’ মানে অত্যাচার নয়, শাসন মানে সঠিক পথ দেখানো। শিক্ষার্থীদের সঠিক পথে চালিত করতে মারধরের বিকল্প হিসেবে ‘পজিটিভ ডিসিপ্লিন’ বা ইতিবাচক শৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Sponsored

Shyam Sundar In Article

বন্ধুসুলভ আচরণ ও খোলামেলা আলোচনা

ভয় দেখিয়ে নয়, শিক্ষার্থীর ভুলভ্রান্তি স্নেহ ও সহানুভূতির সঙ্গে বুঝিয়ে বলতে হবে। তাকে বলতে দিতে হবে যে তার কোথায় সমস্যা হচ্ছে।

Sponsored

Techno India In Article

অবাধ্যতার পেছনের কারণ খোঁজা 

Sponsored

Probe In Article

কোনও শিক্ষার্থী লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়লে বা হঠাৎ অদ্ভুত আচরণ করলে, তাকে মারধর না করে তার পেছনের পারিবারিক, সামাজিক বা মানসিক কারণটি বোঝার চেষ্টা করা উচিত।

আরও পড়ুন: সরকারের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করলেই ‘আর্বান নকশাল’! নীতিনের মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক

ভুল সংশোধনে উৎসাহ দান 

ভুলের জন্য শারীরিক শাস্তি না দিয়ে, ভালো কাজের জন্য পুরস্কৃত বা প্রশংসিত করলে শিক্ষার্থীর শেখার আগ্রহ বহুগুণ বেড়ে যায়। ভুল করলে তা কীভাবে শুধরে নেওয়া যায়, তা ভালোবেসে শেখাতে হবে।

শিক্ষা হল আলো, যা মানুষের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করে। কিন্তু ভীতি ও শারীরিক নির্যাতন সেই আলোর পথকে চিরতরে রুদ্ধ করে দেয়। আধুনিক মনোবিদদের স্পষ্ট বার্তা— একটি সুস্থ, স্বাভাবিক ও সংবেদনশীল প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে শিক্ষার আঙিনা এবং পরিবার থেকে মারধর ও হিংসাকে চিরতরে বিদায় জানাতে হবে। মার নয়, ভালোবাসাই হোক শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি।

আরও পড়ুন

আনন্দ হোক লাগামহীন, শরীর থাকুক চাঙ্গা! রাত জাগার ক্লান্তি কাটানোর রইল সহজ টিপস
জীবনধারা

আনন্দ হোক লাগামহীন, শরীর থাকুক চাঙ্গা! রাত জাগার ক্লান্তি কাটানোর রইল সহজ টিপস

১০/১০/২০২৬1 মিনিট পড়া
সস্তার ‘সুপারফুড’ ডিম! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা জেনে নিন
জীবনধারা

সস্তার ‘সুপারফুড’ ডিম! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা জেনে নিন

৯/১০/২০২৬1 মিনিট পড়া
তামা নাকি স্টিল? জলের বোতল কেনার আগে সাবধান!
জীবনধারা

তামা নাকি স্টিল? জলের বোতল কেনার আগে সাবধান!

৬/১০/২০২৬1 মিনিট পড়া
টুথপেস্ট থেকে বেকিং সোডা: কালো হয়ে যাওয়া অক্সিডাইজড গয়না চকচকে করার ৪ জাদুকরী উপায়
জীবনধারা

টুথপেস্ট থেকে বেকিং সোডা: কালো হয়ে যাওয়া অক্সিডাইজড গয়না চকচকে করার ৪ জাদুকরী উপায়

৫/১০/২০২৬1 মিনিট পড়া
পুরনো শাড়ি, নতুন স্টাইল; এই পুজোয় ভিড়ের মাঝে নজর কাড়ুক আপনার ‘ফিউশন লুক’
জীবনধারা

পুরনো শাড়ি, নতুন স্টাইল; এই পুজোয় ভিড়ের মাঝে নজর কাড়ুক আপনার ‘ফিউশন লুক’

৫/১০/২০২৬1 মিনিট পড়া
নকল পনির হইতে সাবধান! বাজারে দেদার বিকোচ্ছে ক্ষতিকর ফ্যাট যুক্ত ‘অ্যানালগ পনির’
জীবনধারা

নকল পনির হইতে সাবধান! বাজারে দেদার বিকোচ্ছে ক্ষতিকর ফ্যাট যুক্ত ‘অ্যানালগ পনির’

৫/১০/২০২৬1 মিনিট পড়া

More from জীবনধারা

View All →