আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড মুখোমুখি হলেই মাঠ হোক বা মাঠের বাইরে উত্তেজনার পারদ থাকে তুঙ্গে। এমনিতেই বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল বলে কথা। হাইভোল্টেজ ম্যাচ। তার মধ্যে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচ, শুধুই খেলা হবে অশান্তি হবে না তা হয় নাকি। ম্যাচ শেষে মাঠে ফুটবলারদের মধ্যে এবং বাইরে সমর্থকদের মধ্যে ফিরে এল ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি।

 

এগিয়ে গিয়েও এই হার মানতে পারেননি ইংল্যান্ড শিবিরে। ম্যাচ শেষে ফা্ইনালে উঠার সেলিব্রেশনে মজে মেসিরা। সেখানে ছিলেন ভ্যালেন্টিন বার্কোও। কাছেই দাঁড়িয়েছিলেন বেলিংহ্যাম। ঠিক তখনই বেলিংহ্যাম পিছন থেকে এসে বার্কোর ঘাড়ের কাছে চড় মারেন। এই ঘটনা ভাল ভাবে নেননি আর্জেন্টিনার ফুটবলারেরা। মাঠের মধ্যেই শুরু হয় দু দলের ফুটবলারদের মধ্যে প্রবল বিবাদ। 

মেসির সঙ্গে বিবাদে জড়ান বেলিংহ্যামও। যদিও রেফারি বেলিংহ্যামকে কার্ড দেখাননি।আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় ইংল্যান্ডের মর্গ্যান রজার্সের। যদিও সৌজন্যের ছবি্ দেখা গেল মেসি হ্যারি কেনের মধ্যে। মেসিই G.O.A.T! ম্যাচ শেষে জানালেন হ্যারি কেন।

মাঠের বাইরেও দু দলের সমর্থকরা অশান্তিতে জড়়ালেন। খেলা শেষে ফকল্যান্ড নিয়ে বিশেষ ব্যানার নিয়ে উল্লাসে মাতলেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার ও সমর্থকেরা।খেলা শেষে নিকোলাস ওটামেন্ডি ও লো সেলসো সেই ব্যানার তুলে ধরেন। আর্জেন্টিনার বাকি ফুটবলারেরাও তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন।

ম্যাচের পর স্টেডিয়াম ও স্টেডিয়ামের বাইরে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন  দু’দলের সমর্থকরা। বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।