ষষ্ঠবার বিশ্বকাপ (FIFA World Cup)জয়ের স্বপ্ন নিয়েই খেলতে নেমেছিল ব্রাজিল(Brazil), কিন্ত প্রি কোর্য়াটারেই অভিযান শেষ হল সেলেকাওদের।   প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলকে(Brazil) ২-১ গোলে হারালো নরওয়ে। ২০০৬-২০২৬,স্বপ্নভঙ্গের হতাশাই সঙ্গী হল ব্রাজিলের।

 

নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে বিজয়ী দলের পক্ষে জোড়া গোল করলেন আর্লিং হালান্ড (৭৯', ৯০')। ব্রাজিলের পক্ষে সংযোজিত সময়ের শেষ দিকে একটি গোল শোধ করেন নেইমার জুনিয়র (৯০'+১০')। এই ম্যাচের পরেই তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন।

বিশ্বকাপের নক আউটের হারলেই বিদায়, কিন্তু ডুর অর ডাই ম্যাচেও দেখা গেল না সাম্বা ঝলক।  ব্রাজিল যে ফুটবলটা খেলল, তাকে জঘন্য, দিশাহীন, লজ্জাজনক বললেও কম বলা হয়। গোটা ম্যাচে এক বারও দেখে মনে হয়নি তারা জিততে পারে। পেনাল্টি নষ্ট করেন ব্রুনো গিমারায়েস। প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে ম্যাচের ফল ০-০। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি বাড়তে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের  আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে  ম্যাচের ৫৮ মিনিটে এন্ড্রিককে মাঠে নামান আন্সেলোত্তি।  সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারলেন না তরুণ স্ট্রাইকার। গোলের সন্ধানে নেইমারকে নামালেন।

৭৯ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দিলেন হালান্ড। পিছিয়ে পড়ে ব্রাজিল আরও মরিয়া হয়ে আক্রমণ শানানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু তখনই ফের পালটা মার হালান্ডের। ৯০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে অনবদ্য গোল। এই নিয়ে সাত গোল হল তাঁর বিশ্বকাপে। সংযুক্তি সময়ে নেইমার পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমালেন। কিন্তু ততক্ষণে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে ব্রাজিলের।

 

মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে, চতুর্থ প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে সহ আয়োজক মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ৩-২ গোলে জয় পেলো ইংল্যান্ড।জোড়া গোল করেন ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম (৩৬', ৩৮')। এরপর প্রথমার্ধেই মেক্সিকোর পক্ষে একটি গোল শোধ করেন হুলিয়ান কিনোনেস (৪২')। দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে তাদের আরো এগিয়ে দেন হ্যারি কেন (৬০')। কিছুক্ষণের মধ্যেই মেক্সিকোর পক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান কমান রাউল হিমেনেজ (৬৯')।