বিশ্বকাপ(FIFA World Cup) জয়ের স্বপ্নভঙ্গ আগেই হয়েছিল ২ দলের কাছে, লক্ষ্য ছিল ব্রোঞ্জ পদক জিতে সান্তনা পুরস্কার নিয়ে দেশে ফেরা। ইংল্যান্ড বনাম ফ্রান্সের(Englad vs France) ম্যাচ এতটা নাটকীয় হবে তা ছিল কল্পনার অতীত। দশ গোলের থ্রিলার, টানটান উত্তেজনায় ভরা ৯০ মিনিটের মহারণ। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে(France) ৬-৪ বলে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন করল ইংল্যান্ড(England)। 

প্রথম ৪৫ মিনিটে চার গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড ,তবে ইতিহাসে দ্বিতীয়র্ধে খেলায় ফিরল ফ্রান্সও। তিন গোল শোধ করে দেয় ফ্রান্স। কিন্তু ম্যাচের শেষ দিকে আরও দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। ব্রিটিশদের হয়ে হ্যাটট্রিক করলেন সাকা। হ্যারি কেন, পিক ফোর্ডের মতো সেরা তারকাদের বেঞ্চে রেখে দল নামান টমাস টুখেল। ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় ডেকলান রাইসের গোল। ১৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোল এজরি কোনসা। এরপর শুরু সাকা শো। ৩৭ এবং ৪৫ মিনিটে তাঁর জোড়া গোলে ৪-০ এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। 

উসমান ডেম্বেলে এবং ব্র্যাডলি বারকোলা নামার পর ফ্রান্সের আক্রমণের ঝড় শুরু। বিরতির কিছুক্ষণ পরেই নিজের নবম গোল করেন এমবাপে। এর কিছুক্ষণ পরই দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করেন বারকোলা।। ৬৭ মিনিটে আবারও জ্বলে ওঠেন এমবাপে। মাইকেল ওলিসের সঙ্গে দুর্দান্ত বোঝাপড়া থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। ম্যাচের স্কোর ৪-৩।

গোল করার জন্য অলআউট আক্রমণ ছাড়া উপায় ছিল না ফ্রান্সের। ফলে ডিফেন্সে অনেক ফাঁক ছিল। বক্সের মধ্যে ফাউল করলেন উপামেকানো। পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। সাকা নিজে হ্যাটট্রিক করলেন দলের পঞ্চম গোলটি করলেন। নাটক তখনও বাকি্ ছিল।৬ মিনিটের মাথায় দলের চতুর্থ গোল করেন দেম্বেলে। কিন্ত এরপর বেলিংহ্যাম গোল করে ইংল্যান্ডের ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করলেন। ১৯৮২ সালের পর বিশ্বকাপের ম্যাচে ১০ গোল এই প্রথম। 

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা (১০ গোল) হলেন এমবাপে। পরাজয় দিয়ে ইতি ঘটল দিদিয়ের দেশঁর কোচিং জীবনের।