ফাঁকা গ্যালারিতে উত্তাপহীন ডার্বি দিয়েই হল সূচনা ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের। শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান ডার্বি দিয়েই হল চলতি মরশুমের ডুরান্ডের বোধন। ম্যাচের আগে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, শিল্প মন্ত্রী তাপস রায়, সহ সেনা বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্তারা
বিগত কয়েকদিন ধরেই সেনার মহড়া চলছিল যুবভারতীতে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনার পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হল মুখ্যমন্ত্রীকে। এর পাশাপাশি ভারতের ঐতিহ্য মন্ডিল সংস্কৃতি তুলে ধরা হল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
প্রথমে গোর্খা রেজিমেন্ট প্রদর্শন করে, এরপর আসে পাঞ্জাব রেজিমেন্ট। ছৌ এবং ভারতের অন্য সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়। এরপর একে একে বাউল, ধামশা মাদল সুরে সৃষ্টিশীল প্রদর্শন হল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরোপুরি ছিল দেশাত্ববোধের ছোঁয়া। ম্যাচ শুরুর আগে হেলিকপ্টার থেকে সম্মান জানানো হল ফুটবলারদের ।মোট চারটি হেলিকপ্টার ছিল। একটি জাতীয় পতাকা বাকি তিন বাহিনী তিনটি পতাকা ছিল হেলিকপ্টারগুলোতে।।
ডার্বি ম্যাচ হলেও স্টেডিয়াম অনেকটাই ফাঁকা। মরশুমের
দুই প্রধানের সমর্থকদের সেই ভাবে আগ্রহ চোখে পড়ল না।
ডুরান্ড কমিটির তরফ থেকে পর্যাপ্ত টিকিট এবং কারপার্ক না পাওয়ার দরুন মোহনবাগান ক্লাব সভাপতি দেবাশীষ দত্ত এবং সচিব সৃঞ্জয় বসু ক্লাব তাঁবুতে বসেই খেলা দেখবেন। একই সিদ্ধান্ত নিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও।।
দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যার অবসান হল। এবার থেকেচালু হচ্ছে পেপারলেস টিকিট। ফলে অনলাইনে টিকিট কাটার পর আর আলাদা করে কাউন্টার থেকে তা রিডিম বা স্ট্যাম্প করাতে হবে না। সেই ই-টিকিট দেখিয়েই সরাসরি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে।
এবারের ডুরান্ড চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। এবারের আসরে অংশ নেবে ২৪টি দল। কলকাতা ছাড়াও পূর্বভারতের আরও তিন শহরে ডুরান্ড কাপের ম্যাচ হচ্ছে।
















