ডার্বি আর এডমুন্ড লালরিনডিকা কি সমার্থক হয়ে যাচ্ছে! জীবনের প্রথম ডার্বিতে গোল করেছেন। গত মরশুমে আইএসএলের একমাত্র বড় ম্যাচে গোল, এবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে একেবারে হ্যাটট্রিক। অবশেষে ভারতীয় ফুটবল পেল মিজো ফুটবলারকে সেরা ভার্সনে। দলকে চ্যাম্পিয়ন করে ডার্বির নায়ক মিজো উইঙ্গার জানিয়েছেন, ফাইনালে ডার্বিতে যাতে তিনি হ্যাটট্রিক করেন, তারজন্য বোন ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। তা সফল হওয়ায় তিনি খুশি। তবে নিজের রেকর্ডের থেকেও সবচেয়ে বেশি তৃপ্ত দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ায়।
মাঠে ট্রফি নিয়ে সেলিব্রেশনের পর ড্রেসিংরুমে আরও একপ্রস্থ উৎসব সেরে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে এডমুন্ড বললেন, আগে দুটো ডার্বিতে গোল করেছিলাম। কিন্তু দল জেতেনি। এবার ডার্বি, আবার ডুরান্ড কাপ ফাইনাল। হ্যাটট্রিক করেছি, দলও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বলে আমি প্রচন্ড খুশি। আমার জন্য বোন প্রার্থনা করেছিল, যাতে আমি ফাইনালে হ্যাটট্রিক করতে পারি, আমি নিজেও ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছিলাম।
মোহনবাগান কোচ হিসেবে ডার্বিতে অপরাজিত ছিলেন আন্তনিও লোপেজ হাবাস। ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব নিয়ে ডুরান্ডের উদ্বোধনী ডার্বি হেরে অপরাজিত তকমা হাড়িয়েছিলেন স্প্যানিশ কোচ। সেই হারের জবাব দিয়ে হাবাস বলেছেন, আগে অনেক ডার্বি জিতলেও ফাইনালে কখনও ডার্বি জেতেননি। তাই এটাই তাঁর কাছে সেরা জয়।
সোমবার সকাল ১০টায় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে পতাকা উত্তোলন করে ডুরান্ড জয় উদযাপন হবে। ইস্টবেঙ্গলে যখন উৎসবের আবহ তখন লাল-হলুদে আঁধার। ডার্বি হারের দিনেও বিতর্ক থাকল। ডুরান্ড কমিটির বিরুদ্ধে সূচি নিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ এদিন ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলন বয়কট করল মোহনবাগান। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, কোচ পানাজিওটিস দিলমপেরিস ওরফে পানোস ড্রেসিংরুমে ক্লাব ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছেন, তাঁর কিছু বলার নেই। ডার্বির আগের দিনও সাহালদের কোচ সূচি নিয়ে সরব ছিলেন।
















