যুবভারতীর ডার্বির উত্তেজনা খুব ভালোভাবেই জানেন স্প্যানিশ কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস(East Bengal FC Head Coach Antonio Lopez Habas)। কিন্তু শনিবাসরীয় ডার্বি তাঁর কাছে অপরাজিত থাকার চ্যালেঞ্জ। মোহনবাগান কোচ হিসাবে বড় ম্যাচে হারেননি, এবার লাল হলুদের কোচের হটসিটে বসে নিজে সুনাম বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ হাবাসের( Antonio Lopez Habas) সামনে।
অতীত নিয়ে নস্ট্যালজিয়া নেই, ডার্বির আগে হাবাসের চিন্তা দলের অসম্পূর্ণ প্রস্তুতি
মোহনবাগান কোচ হিসাবে বড় ম্যাচে হারেননি, এবার লাল হলুদের কোচের হটসিটে বসে নিজে সুনাম বজায় রাখার চ্যালেঞ্জ হাবাসের( Antonio Lopez Habas) সামনে।
Sponsored


৫ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে ডার্বি খেলা যে কঠিন তা মেনে নিচ্ছে হাবাস।ডার্বিতে বরিস সিং এবং দানিশ ফারুককে পাওয়া যাবে না। দু'জনের ফিট হতে ১৫ দিন লাগবে, জানিয়ে দেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন হেড কোচ। কলকাতায় চলে এসেছেন মহম্মদ রশিদ এবং দানি রামিরেজ। দলের সঙ্গে প্র্যাকটিসও করেন। তবে শনিবার তাঁদের খেলার সম্ভাবনা কম। ফলে মোহনবাগানের মতোই ইস্টবেঙ্গলও পুরো ভারতীয় স্কোয়াড নিয়েই খেলতে পারে।প্রথম একাদশে না থাকলেও, দলে থাকতে পারেন রশিদ। বিদেশিদের নিয়ে খুব বেশি ঝুঁকি নেবে না টিম ম্যানেজমেন্ট।কারণ এএফসি ম্যাচ আছে।
গোলরক্ষায় থাকছেন প্রভসুখন গিল ৷ রক্ষণভাগ সামলাতে আনোয়ার আলির সঙ্গে সন্দীপ মান্ডি'কে জুড়ে দিচ্ছেন হাবাস ৷ দুই সাইড-ব্যাক হিসেবে লালচুংনুঙ্গা এবং জয় গুপ্তার উপর আস্থা রাখছেন তিনি ৷ মাঝমাঠে জিকসন, রোহিত দানু, রোহিত কুমার, বিপিন সিংয়ের উপর দায়িত্ব ভাগ করে দিতে চান লাল-হলুদের নয়া কোচ ৷ আক্রমণে হাবাসের বাজি ডেভিড লালহ্লানসাঙ্গা, এডমুন্ড লালরিনডিকা এবং পিভি বিষ্ণুর মধ্যে যে কোনও দুই ৷
হাবাস জানিয়েছেন, “ফুটবলারদের সঙ্গে সে ভাবে পরিচিত হওয়ারই সুযোগ পাইনি। সবে কয়েক বার অনুশীলন করেছি। এখনও ভাল করে জানি না কে কী ভাবে খেলতে পছন্দ করে। বিপক্ষ দলেরও একই অবস্থা। প্রস্তুতির সময় খুব কম পেয়েছি।দানিস সহ বাকিদের ১৫ দিন সময় লাগবে পুরো খেলার জন্য। দলে থাকা ভারতীয় ফুটবলারদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল।
এর আগে কলকাতায় কোচিং করিয়েছেন তবে মোহনবাগান দলের এবার মোহনবাগানকে হারানোর জন্য নামতে হবে তাকে এই প্রসঙ্গে হাবাস বলেন, আমি অতীত নিয়ে ভাবি না। আমি সামনে তাকাই, আমাকে মোহনবাগান ফ্যানরা ভালোবাসা দিয়েছেন সেটা এখন অতীত ।।আমার মধ্যে কোন আবেগ নেই এটা পেশাদার জায়গা।আমি কোনও রকম নস্ট্যালজিয়ায় ভুগছি না। মোহনবাগান ভাল দল। ওদের কোচও ভাল। এখন আমার ভাবনাচিন্তায় শুধুই ইস্টবেঙ্গল।
জিকসন সিং বলেন, আমাদের চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা লম্বা একটা প্রসেস। আমরা আগের মরশুমের মতো মানসিকতা নিয়ে নামছি। যাতে আরো বেশি ট্রফি জিততে পারি।।বিদেশি প্লেয়াররা পরে এলেও আমরা আগে থেকে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি ভালো ফলের জন্য ।এই ডার্বি ভালো সুযোগ ভারতীয় ফুটবলারের জন্য তারা তাদের প্রতিভা দেখাতে পারবেন । এই মরশুম এর শুরু থেকেই ইস্টবেঙ্গল ফেভারিট হিসাবে শুরু করবে। আগের মরশুম গুল ভালো না গেলেও শেষ মরশুম আমরা ট্রফি জিতেছি। সমর্থকদের আনন্দ দিতে পেরেছি ।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













