দু’বছর আগে যুবভারতীতে ডুরান্ড ফাইনালেই মোহনবাগানের কাছে হেরে ট্রফি হারিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সেবার গ্রুপ পর্বে আবার ইস্টবেঙ্গল হারিয়েছিল মোহনবাগানকে। এবার ঠিক সেবারের উল্টো পরিস্থিতি। ডুরান্ডে সাম্প্রতিককালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে জোড়া হারের মধুর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ইস্টবেঙ্গল। একইসঙ্গে ২২ বছর পর ডুরান্ড জেতারও হাতছানি মশালবাহিনীর সামনে। ম্যাচের আগেরদিন অনুশীলন বাতিল ইস্টবেঙ্গলের। হোটেলেই জিম করলেন লাল হলুদ ফুটবলাররা। ফুটবলারদের ধকলের কথা ভেবে অনুশীলন করালেন না হাবাস।
শেষমুহূর্তে কোনও এক অজ্ঞাত কারণে ইস্টবেঙ্গল মাঠে অনুশীলনের ভাবনাও বাতিল করে দেন কোচ হাবাস। এটা ডুরান্ড ফাইনালের আগে ফুটবলারদের সমর্থকদের ডার্বি জেতানোর আবদারের চাপ থেকে বাঁচানোর কৌশল হতেই পারে।
মোহনবাগানের কোনও একজন বা দুজন ফুটবলারকে নিয়ে ভাবছেন না। ভাবছেন পুরো মোহনবাগান দলকে নিয়েই।মেনে নিলেন িবশাল কাইথ খুব ভাল গোলরক্ষক, তবে তাঁর দলের গিল বা লাচেনপাও যে পিছিযে নেই সেটাও মনে করিয়ে দিলেন। রীতিমত যুদ্ধ যুদ্ধ মোডে ঢুকে পড়েছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।
প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক সম্মেলনে এসে ইস্টবেঙ্গল কোচ হাবাস জানালেন, ‘এটা একটা ট্যাক্টিকাল মুভ বলতেই পারেন। ফুটবলাররা গত দু’দিন ফাইনালের প্রস্তুতি সেরেছে। তাই তিনি মনে করেছেন ডার্বির আগেরদিন মাঠে অনুশীলন বিশেষ জরুরি নয়।
গরম, আবহাওয়া, রেফারিং কোনও কিছু নিয়েই অজুহাত দিতে তিনি নারাজ, ঘোষণা করে দিলেন। পাশাপাশি
দলকে জেতানোর জন্য, সমর্থকদের আবেগকে সম্মান দেওয়ার জন্য তিনি ১০০ শতাংশ উজাড় করে দেওয়ার অঙ্গীকার করে দিলেন।
বিষ্ণু খেলতে না পারলে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণে বিপিন, জেসিন, এডমুন্ড লালরিনডিকা এবং দানি রামিরেজের উপর দায়িত্ব আরও বাড়বে। বিশেষ করে মোহনবাগানের শক্তিশালী রক্ষণ ভাঙতে শুরু থেকেই ঝুঁকি নেওয়ার বদলে হাবাস হয়তো প্রথমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। বিষ্ণুর গতি না থাকায় দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকের একটি বড় অস্ত্রও কমে যাবে লাল-হলুদের।
বিষ্ণু শেষ পর্যন্ত খেলতে না পারলে তাঁর জায়গায় সবচেয়ে স্বাভাবিক বিকল্প হতে পারেন বিপিন সিং। ।
ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার জানিয়েছেন, হাবাস একজন ফাইটার আমরা ট্রফি জয়ের লক্ষ নিয়ে মাঠে নামব।
















