ডুরান্ড কাপ ডার্বিতে বাজিমাত ইস্টবেঙ্গলের । ফাইনাল ম্যাচে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতল লাল হলুদ ,২০০৪ সালের পর ডুরান্ড কাপ জিতল ইস্টবেঙ্গল. ।

 

ম্যাচের শুরু থেকে ইস্টবেঙ্গলের ঝড়। মোহনবাগান ডিফেন্সকে লন্ডভন্ড করে দিলেন বিপিন, এডমুন্ডরা। ৪-৩-২ ১ ছকে দল সাজান হাবাস।।অন্যদিকে, মোহনবাগান খেলতে শুরু করে ৪-৪-২ ছকে ।

ম্যাচের ,৯ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় মোহনবাগান। সমীরের পাস থেকে লিস্টন বল গোলে পাঠাতে পারলেন না। এরপর ঝড়ের নাম লাল হলুদ। ১২ মিনিটে তিন গোল করল হাবাসের দল। ১০ মিনিটে রশিদের পাস থেকে প্রথম গোল বিপিনের।।এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই জিকসনের পাস থেকে এডমুন্ডএর গোল।।এরপর ২০ মিনিটে লিস্টনের দুরন্ত ফ্রি কিক সেভ করলেন গিল। ২২ মিনিটে এডমুন্ড এর দ্বিতীয় গোল।।তিন গোল করে খেলায় জাকিয়ে বসে ইস্টবেঙ্গল। ৩০ মিনিটে মনবীর গোলের পর মনে হয়েছিল মোহনবাগান খেলায় ফিরবে। কিন্তু প্রথার্ধ শেষ হওয়ার আগেই চতুর্থ গোলটি করে ফেলল ইস্টবেঙ্গল। রশিদের ফ্রিকক থেকে জয় গুপ্তর পাস থেকে হ্যাটট্রিক করলেন এডমুন্ড। এই প্রথম ডার্বিতে প্রথম ৪৫ মিনিটের মধ্যেই চার গোল করল কোন দল।।

ডার্বিতে হ্যাটট্রিক এডমুন্ড লালরিন্ডিকার। বাইচুং, চিডি, কিয়ান নাসিরির পর চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে ডার্বিতে হ্যাটট্রিক। বাইচুংয়ের পর ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ডার্বিতে হ্যাটট্রিক এডমুন্ডের।

দ্বিতীয়ারদের শুরুতেই মোহনবাগান সমীরকে তুলে মিগুয়েলকে নামল।

 

গোলের লক্ষ্যে একসঙ্গে দীপক, কিয়ান, সাহালকে নামালেন। কিন্তু সাহাল সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন। মিগুয়েল মাঝমাঠে খেললেও তার খেলায় সেই ছন্দ দেখা গেল না। ফলে ম্যাকলারেন বলই পাচ্ছিলেন না। ৪গোল করে ডিফেন্স এ ঝাঁপ নামিয়ে দিলেন। ধুরন্ধর হাবাস জানতেন মোহনবাগান প্রতি আক্রমনে যাবেন তাই ডিফেন্স এ বেশি লোক লাগিয়ে রাখলেন। প্যানস শেষ ভরসা চাংতেকে ও নামিয়ে দিলেন। কিন্তু হাবাসের চালে ই বার বার আটকে গেলেন ম্যাকলারেন ,মনবীররা। উল্টো দিকে জেসিন সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে ৫ গোল করে ফেলতেই পারত ইস্টবেঙ্গল।