চলতি ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়ার সঙ্গেই সঙ্গেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে ইতি টেনে দিলেন নেইমার জুনিয়র(Neymar JR)। নরওয়ের বিরুদ্ধে হারের পরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমার(Neymar )। শেষ ম্যাচে পেলেন সান্তনার গোল।
২০১০ সালে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয় নেইমারের। খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপ। জাতীয় দলের হয়ে ১৩০ ম্যাচ খেলে ৮০টি গোল করেছেন নেইমার। রয়েছে চারটি হ্যাটট্রিকও। ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার নাম নেইমার। ফুটবল কেরিয়ারে ২০১২ সালের অলিম্পিক্সে রুপো এবং ২০১৬ সালের অলিম্পিক্সে সোনা জিতেছেন। ২০১৩ সালে কনফেডারেশন কাপ জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন।
যখন ব্রাজিলের জার্সিতে আত্মপ্রকাশ করলেন তখন তাঁকে ওয়ান্ডার কিড বলা হত। একটা সময় মেসি-রোনাল্ডোর সঙ্গেই আসত তাঁর নামও। কিন্তু কেরিয়ার চোট আঘাতে জর্জরিত হয়েছে। চলতি বিশ্বকাপে ডাক পেলেও খেলার মতো ফিট ছিলেন না, পরিবর্ত হিসাবে নামতে হয়েছে। নরওয়ে ম্যাচে পরিবর্ত হিসাবে নেমে ৩৭ মিনিট খেললেন, একটি গোল করলেন। কিন্তু দলকে জেতাতে পারলেন না। চোখের জলেই বিদায় নিলেন।
শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। মাঠেই অঝোর ধারায় কাঁদতে শুরু করেন তিনি। সতীর্থরা তাঁকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাঁকে থামানো যায়নি। স্টেডিয়াম থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের বলেন, “আমি অনেক চেষ্টা করেছি। নিজের সেরাটা উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু এবার সব শেষ। এখানেই আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ করলাম।”
২০০৬ থেকে ২০২৬ আবারও খালি হাতেই ফিরে যেতে হল ব্রাজিলকে। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হল সেকেকাওদের। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের কোচ কার্লো অ্যানচেলোত্তি বলেন, "অবশ্যই সবাই হতাশ। আমরা অসাধারণ বিশ্বকাপ খেলিনি, তবে ভাল খেলেছি। আমার বিশ্বাস, আজকের ম্যাচে জয়ের দাবিদার ছিলাম আমরা।''
















