ফাইনাল ম্যাচের শুরুর এক ঘন্টা আগেই শুরু হল সমাপ্তি অনুষ্ঠান। প্রথমে সংগীত পরিবেশন করলেন রাইনো বয়েজ। ম্যাচের সূচনায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্প মন্ত্রী তাপস রায় ও ক্রীড়া মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ সঙ্গে সেনার অধিকারিকরা।
প্রথমে গোর্খা রেজিমেন্ট প্রদর্শন করে, এরপর আসে পাঞ্জাব রেজিমেন্ট। ছৌ এবং ভারতের অন্য সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়। এরপর একে একে বাউল, ধামশা মাদল সুরে সৃষ্টিশীল প্রদর্শন হল। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে পুরোপুরি ছিল দেশাত্ববোধের ছোঁয়া।।ডার্বি ম্যাচ হলেও স্টেডিয়াম অনেকটাই ফাঁকা। মরশুমের দুই প্রধানের সমর্থকদের সেই ভাবে আগ্রহ চোখে পড়ল না।গ্যালারির অধিকাংশ জায়গা ফাঁকা থাকল ম্যাচের শুরুতেই।
ম্যাচের শেষে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের আসার কথা।
ম্যাচ শুরুর আগে মিগুয়েলকে দেখা গেল ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলতে।।
ইস্টবেঙ্গল প্রথম একাদশ:
হার্দিক ভাট, আনোয়ার আলি, লালচুংনুঙ্গা, এডমুন্ড লালরিন্ডিকা, দানি রামিরেজ়, প্রভসুখন সিং গিল (গোলকিপার), জিকশন সিং, জয় গুপ্তা, বিপিন সিং, সন্দীপ মান্ডি, মহম্মদ রশিদ (অধিনায়ক)
মোহনবাগানের প্রথম একাদশ:
বিশাল কাইথ (গোলকিপার), রাহুল ভেকে, অনিরুধ থাপা, লিস্টন কোলাসো, সমীর জ়েলকোভিচ, মনবীর সিং, শুভাশিস বসু (অধিনায়ক), আলবার্তো রদ্রিগেজ়, অভিষেক সিং টেকচাঁম, জেমি ম্যাকলারেন, মাউইয়া
















