টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের(FIFA World Cup) সেমিফাইনালে ফ্রান্স(France)। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারাল ফ্রান্স(France)। গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে(Kylian Mbappe) ও উসমান ডেম্বেলে , প্রথমার্ধ গোল শূন্য থাকলে দ্বিতীয় অর্ধে জোড়া গোল হল।এই ম্যাচে গোল করে চলতি বিশ্বকাপে অষ্টম গোল করে ফেললেন এমবাপে ,মেসির সঙ্গে তালিকায় এক নম্বরে রয়েছেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ২০১৮, ২০২২, ২০২৬, বিশ্বকাপে ফরাসিদের দাপট অব্যাহত।
২৫ পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। আশরফ হাকিমির কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে এমবাপেকে পাস বাড়ান দুয়ে। গতি বাড়িয়ে মরক্কোর বক্সে ঢুকে পড়তেই তাঁকে ফাউল করেন নৌসের মাজরাউই। কিন্তু ভিএআর চেক করার জন্য ৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড সময় যায়, এতেই মনসংযোগ নষ্ট হয় এমবাপের, ফল পেনাল্টি রুখে দিলেন মরক্কোর গোলরক্ষক। সুযোগ পেলেও মরক্কোর রক্ষণে আটকে গেল ফ্রান্সের আক্রমণ। ফলে প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে খেলার ফল থাকল ০-০।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫ মিনিটের ঝড়েই সেমির টিকিট নিশ্চিত করে ফেলল ফ্রান্স। ৬০ মিনিটে তিন মরক্কো ডিফেন্ডারের মাঝখান থেকে বক্সের বাইরে থেকে বাঁক খাওয়ানো জোরাল শটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে(Kylian Mbappe। বিশ্বকাপে ২০ নম্বর গোল এল তাঁর পা থেকে। ৫ মিনিটের মধ্যেই বক্সের বাইরে থেকে মাটি ঘেসা শটে ২-০ করলেন দেম্বেলে, মরক্কোর সব জারিজুড়ি শেষ।
পায়ে চোট লাগায় ৭৭ মিনিটে উঠে গেলেন এমবাপে। দ্বিতীয়ার্ধে কয়েক বার গোড়ালিতে ব্যথা অনুভব করতে দেখা যায় এমবাপেকে। মাঠে বেশ কয়েকবার বসে পড়েন এবং চিকিৎসক দল মাঠে এসে তাঁর অবস্থা পরীক্ষা করে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর খেললেও গোড়ালির অস্বস্তি তখন এতটাই বেড়ে যায় যে আর খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।ডাগ আউটে বরফ বেধে বসে থাকতে দেখা যায় এমবাপেকে।
দলের সেরা তারকার চোট চিন্তায় ফেলে ফরাসি সমর্থকদের। তবে ম্যাচ শেষে এমবাপে বলেন, ‘আমি ভালো আছি। গোড়ালিতে একটা আঘাত লেগেছিল, কিন্তু সব ঠিক আছে।’
















