কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবের (Calcutta Sports Journalists Club) উদ্যোগে এবং সিএসজিসি ও মার্লিন(Merlin ) গ্রুপের সহযোগিতায় আয়োজিত দুদিনের মিডিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টে দারুণ সাফল্য পেল জাগো বাংলা ও বিশ্ব বাংলা সংবাদ। এই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার কৃষ্ণেন্দু রায়, প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার আলভিটো ডি'কুনহা (Alvito D'Cunha), প্রয়াত ফুটবলার প্রশান্ত ডোরার স্ত্রী সৌমি ডোরা। এছাড়াও উপস্থিতি ছিলেন মারলিন গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট সর্বাণী ভট্টাচার্য। প্রতিযোগিতায় ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে শিরোপা জিতেছে বিশ্ব বাংলা সংবাদ এবং প্রিন্ট মিডিয়া বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জাগো বাংলা।  

ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিভাগে বিশ্ব বাংলা কোয়ার্টার ফাইনালে আইএফএ টিভি কে ৩-০, সেমিফাইনালে লেটস ফুটবল কে ২-০ এবং ফাইনালে টিভি নাইন বাংলা কে ৩-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নের ট্রফি নিজেদের দখলে তোলে বিশ্ব বাংলা সংবাদ। প্রিন্ট মিডিয়া বিভাগে প্রথম ম্যাচে ইকো অফ ইন্ডিয়া কে ৭-০ গোলে উড়িয়ে সেমিফাইনালে ওঠে জাগো বাংলা। এরপর সংবাদ প্রতিদিন কে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় তারা। ফাইনালে এই সময় কে ৩-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয় জাগো বাংলা।  

 

শুধু দলগত সাফল্য নয় একইসঙ্গে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সেও নজর কাড়ল বিশ্ব বাংলা সংবাদ এবং জাগো বাংলা। বৈদ্যুতিন বিভাগে বিশ্ব বাংলার  সেরা বাঁধন বিশ্বাস। প্রয়াত কিশোর সমর্থক রাজুল সরকারের নামাঙ্কিত ‘গোল্ডেন বল পেলেন। প্রিন্টের সোনার বুট জাগো বাংলার সায়ন্তন বন্দ্যোপাধ্যায়। 

 

সাংবাদিকদের নিয়ে এমন সুসংগঠিত ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রশংসা কুড়িয়েছে কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাব। টুর্নামেন্ট সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়, রূপক বসু, অর্চিষ্মান ভাদুড়ী ও সুভেন রাহা, পার্থ  দত্ত, বিশ্বজিত দাসদের আলাদা করে প্রশংসা প্রাপ্য। সিএসজেসি প্রেসিডেন্ট অর্চিমান ভাদুড়ির কথায়, ‘মার্লিন যে ভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, সুন্দর পরিকাঠামো দিয়েছে, তার জন্যই এত ভালো টুর্নামেন্ট করা গেল।’ 

পাশাপাশি, এই আয়োজনের অন্যতম সহযোগী মার্লিন গ্রুপেরও ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে। মার্লিনের পক্ষ থেকে সাকেত মেহতা বলেন, ‘আমাদের সংস্থা সব সময়েই খেলাধুলোর সঙ্গে থাকে। এই নিয়ে তিনবার মিডিয়া ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত থাকলাম আমরা। ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্ট ক্লাবকে ধন্যবাদ।’ 

 

আলভিটো বলেন, ‘সাংবাদিকরা সারা বছর খেলা নিয়ে দৌড়ে বেড়ান। তাঁদের মাঠে নেমে খেলতে দেখে দারুণ লাগল।’ কৃষ্ণেন্দু রায় সাংবাদিকদের এই উৎসাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রশান্তকে নিয়ে বলার সময়ে চোখে জল, গলা বুঁজে আসে স্ত্রী সৌমির। 

 

 গোটা টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ দারুন পরিচালনা করলেন সিআরএ-র রেফারিরা।এরজন্য চিত্তদাস মজুমদারকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়।