কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয় অধরাই থেকেছে লভলিনা বরগোহাঁই-র(Lovlina Borgohain)। লভলিনার(Lovlina Borgohain') আগ্রাসন শুধু বক্সিং রিংয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। অনৈতিক এবং অন্যায় দেখলেই প্রতিবাদ করেন। গ্লাসগোর এক ভারতীয় রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন অসমের বক্সার।
গ্লাসগোর ‘মিস্টার সিং’স ইন্ডিয়া- দ্য হোম অফ কারি’ নামে একটি রেস্তোরাঁ ভারতীয় দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমন্ত্রণ রক্ষা করে সেখানে খেতে যান ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা। সেখানে হাত মোছার জন্য যে কাগজ রাখা ছিল, তাতে রেস্তোরাঁর নামের সঙ্গে ছাপা ছিল ভারতের মানচিত্র। কিন্তু সেই মানচিত্র অসম্পূর্ণ। তাতে কাশ্মীর এবং উত্তর পূর্ব ভারতের একাংশ ছিল না। বিষয়টি নজরে আসতেই প্রতিবাদ করেন লভলিনা।
লভলিনা, “ন্যাপকিনে ছাপা মানচিত্রে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতই নেই। এটা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দেশের প্রতিটি প্রান্ত সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের সম্পূর্ণ ও সঠিক মানচিত্রই ব্যবহার করা উচিত।” ভারতের বক্সিং ফেডারেশন দেশের তারকা বক্সারের বক্তব্যকে সমর্থন করেন। সংস্থার সভাপতি অজয় সিং জানিয়েছেন, হাত মোছার কাগজে (ন্যাপকিনে) কাশ্মীরের একাংশও বাদ দেওয়া হয়েছে। গোটা বিষয়টি রেস্তোরাঁ সংস্থাকে জানানো হয়েছে।
লভলিনার কড়া প্রতিবাদের মুখে পড়ে শেষমেশ ভুল স্বীকার করতে বাধ্য হল রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ। ক্ষমা চেয়ে তারা শুধরে নিল ভারতের মানচিত্র। যদিও হল রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ প্রথমে জানিয়েছিল ব্রিটিশ ভারতের ম্যাপ আঁকা ছিল।
শুধু প্রতিবাদ করাই নয় পদক জয়ের পর লভলিনার মানবিক সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি নিজের এই রুপোর পদক অসমের বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন।
















