বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। সারা বিশ্বের ফুটবল ভক্তদের নজর নিউইয়র্কে স্পেন বনাম আর্জেন্টিনা ম্যাচে। কাপ জয়ের সঙ্গেই নজরে থাকবে ব্য়ক্তিগত পুরস্কারগুলিও। সোনার বল, সোনার বুট, গোল্ডেন গ্লাভস সহ একাধিক পুরস্কার কাদের হাতে উঠবে তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতার হাতেই উঠে সোনার বুট। এবার এই ট্রফির লড়াই মূলত এমবাপে এবং মেসির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্যাচে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপ ম্যাচে এমবাপের মোট গোল এখন ২২। তিনি টপকে গেলেন ৩৩ ম্যাচে ২১ গোল করা লিওনেল মেসিকে। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোলের সুবাদে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপের গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১০। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির ঝুলিতে রয়েছে ৮ গোল। এই মুহূর্তে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপে ও মেসি দু'জনেরই অ্য়াসিস্টের সংখ্য়া ৪। ফলে সোনার বুট জিততে হলে অন্তত তিন গোল করতে হবে মেসিকে।
মেসি এর আগে ২ বার (২০১৪, ২০২২) সোনার বল জিতেছেন কিন্ত কেরিয়ারে সোনার বুট জেতা হয়নি মেসির। রবিবার ফাইনালে মেসি যদি দুটো গোল করেন কিন্তু কোনও অ্যাসিস্ট না করেন, তাহলে হয়ত মেসিই জিতবেন সোনার বুট। কারণ ফিফার নিয়ম অনুযায়ী দু'জনের পরিসংখ্যানের দিকে থেকে যদি একই থাকে, তাহলে কত কম সময়ে কে গোল করেছেন বেশি, তা দেখা হয়। সেক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত চলতি টুর্নামেন্টে এমবাপে খেলেছেন ৭৬৯ মিনিট। অন্য়দিকে, মেসি ফাইনালের আগে খেলে ফেলেছেন ৭২১ মিনিট।
এদিকে চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স উভয় দলের জন্য থাকছে মোটা অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার। চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে অবিশ্বাস্য ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) মার্কিন ডলার। রানার্স-আপ দল পাবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার, তৃতীয় স্থানাধিকারী দল ২৯ মিলিয়ন ডলার এবং চতুর্থ স্থানে থাকা দল পাবে ২৭ মিলিয়ন ডলার। পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দল শুধু ট্রফি বা সোনার পদকই নয় পাবে আরও একটি দামী উপহার। এই প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন দলের কোচ-ফুটবলারদের দেওয়া হবে ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’ফাইনালে পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চেই এই রিং প্রদান করা হবে।
















