সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোল করতে না পারলেও বিশ্বকাপে রেকর্ডের ধারা অব্যাহত মেসির(Messi)।  সুইসদের বিরুদ্ধে গোলে সহায়তা করেই রেকর্ড বুকে নাম লেখালেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে অ্যাসিস্ট করার মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের দশম অ্যাসিস্ট পূর্ণ করেন মেসি এর ফলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুই অঙ্কের (১০) অ্যাসিস্ট করার অনন্য কীর্তি গড়লেন । তবে রেকর্ড গড়ার দিনে মেজাজও হারালেন মেসি(Messi)।

 

সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে  ম্যাচে পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পেদ্রো পিনেইরোর সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন মেসি(Messi)। যা কিছুটা বেনজির। মেসির মনে হয়েছিল রেফারি তাঁর সঙ্গে যথাযথ সম্মান দিয়ে কথা বলছেন না।

ঘটনা ঘটে প্রথমার্ধে। সুইৎজারল্যান্ড একটি ফ্রি-কিক পায়। সেই সময় আর্জেন্তিনার ডিফেন্সে দাঁড়িয়েছিলেন মেসি, রেফারি তা্ঁকতে নির্ধারিত দূরত্বে সরে যেতে বলেন। কিন্তু রেফারির কথা বলার ধরন মেসির ভালো লাগেনি। ক্ষুব্ধ হয়ে সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিবাদে গর্জে উঠেন শান্ত মেসিও। 

সবাইকে অবাক করে দিয়ে মেসি রেফারিকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ঠিকভাবে কথা বলুন। অসম্মান করবেন না। আমি আপনার সঙ্গে সম্মান দিয়েই কথা বলেছি, আপনিও আমার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলুন।’

পর্তুগিজ রেফারি পিনেইরোর একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, ম্যাচের ৭২ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের একটি ফাউলকে কেন্দ্র করে ভিএআর-এর সাহায্য নেন রেফারি। রিপ্লে দেখার পর পারেদেসের কার্ড বাতিল করে তিনি উল্টো সুইস স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠছাড়া করেন। এই সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন এমবোলো।

৩৮ বছরের পিনেইরো কড়া ধাঁচের রেফারি হিসাবেই পরিচিত। অতিরিক্ত কার্ড দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। একাধিক বার বিতর্কেও জড়ান এর আগে।  উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগ এবং ২০২৫ উয়েফা সুপার কাপের মতো বড় প্রতিযোগিতায় দায়িত্ব পালন করেছেন রোনাল্ডোর দেশের রেফারি।