বিশ্বকাপ(FIFA World Cup) জ্বরে আক্রান্ত গোটা দেশ। ব্যতিক্রম নয় বাংলাও। মোহন-ইস্টের সমর্থকরা এখন রাত জাগছেন মেসি-এমবাপেদে। মিষ্টি এবং ফুটবলের প্রতি সমান ভালোবাসা বাঙালির। দুর্গাপুরে মিষ্টি এবং ফুটবলের দুরন্ত মেলবন্ধন। সৌজন্যে  প্রসিদ্ধ মিষ্টি ব্যবসায়ী দেবাশিস ঘোষ।   

সেমিফাইনালের উত্তেজনা যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় নিজের প্রিয় ফুটবলারের প্রতি ভালোবাসা উজাড় করে দিয়ে নজির গড়লেন দুর্গাপুরের মিষ্টি ব্যবসায়ী। খোয়াসহ  নানা উপকরণ ও রঙের নিপুণ ব্যবহারে তিনি গড়ে তুলেছেন লিওনেল মেসির মিষ্টি প্রতিকৃতি। মুহূর্তের মধ্যেই সেই মিষ্টির মেসি হয়ে উঠেছে শহরের অন্যতম আকর্ষণ।

দুর্গাপুরের মামড়া বাজারের পরিচিত মিষ্টি ব্যবসায়ী দেবাশিস ঘোষ ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনা দলের অন্ধভক্ত। আর লিওনেল মেসি তাঁর কাছে শুধুই একজন ফুটবলার নন, তিনি আবেগ, ভালোবাসা আর এক স্বপ্নের নায়কের নাম। নিজের পেশা এবং আবেগের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন মিষ্টি ব্যবসায়ী দেবাশিস। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগেই গড়ে তুলেছেন মিষ্টির উপকরণ দিয়ে মেসির সুন্দর মূর্তি। 

দেড় কেজি খোয়া, বিভিন্ন মিষ্টির উপকরণ এবং ফুড কালার দিয়ে তৈরি হয়েছে মেসি মিষ্টি। মেসির মুখের অভিব্যক্তি, দাড়ি, চুল থেকে শুরু করে জার্সির রঙ প্রতিটি খুঁটিনাটিতে রয়েছে নিখুঁত কারুকার্য। একঝলক দেখলে মনে হবে, যেন মিষ্টির শরীরে প্রাণ পেয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। মেসি মিষ্টির খবর ছড়িয়ে পড়তেই মামড়া বাজারে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। 

ব্যবসায়ী দেবাশীষ ঘোষ বলেন, "বর্ষার জন্য বড় করে বানানো সম্ভব হয়নি। তাই ছোট আকারেই মেসিকে তৈরি করেছি। দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করেছি। তবে আমাদের একটাই আশা এবার মেসি যেন বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েন। ওর হাতে বিশ্বকাপ উঠুক, এটাই আমাদের প্রার্থনা।"