ক্লান্তির মধ্যেও ট্রফি পাখির চোখ মোহনবাগানের। রবিবার সুপার সানডে তে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হচ্ছে মোহনবাগান
মোহনবাগান অবশ্য তিন বছর আগেই যুবভারতীতে ডুরান্ড কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েই। ২৩ বছরের খরা কেটেছিল দিমিত্রি পেত্রাতোসের গোলে। এবার কি ইস্টবেঙ্গলের পালা? উত্তর মিলবে রবিবাসরীয় সন্ধ্যার যুবভারতীতে। ডার্বি শুরু বিকেল ৫টায়। তিন বছর আগে গ্রুপ পর্বের ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গল জিতেছিল। ফাইনালে জবাব দিয়েছিল মোহনবাগান।
দুই কোচই ডুরান্ডের উদ্বোধনী ডার্বিতে অপ্রস্তুত অবস্থায় ডাগ আউটে বসেছিলেন। ফাইনালের আগে নিজেদের অনেকটা গুছিয়ে নিতে পেরেছেন দুই কোচ।
মোহনবাগান কোচ হিসেবে অভিষেকেই ডুরান্ডের উদ্বোধনী ডার্বি জিতেছিলেন মোহনবাগান কোচ পানাজিওটিস দিলমপেরিস ওরফে পানোস। ফাইনালে আরও একটা ডার্বির আগে তাই আত্ববিশ্বাসী বাগানের গ্রিক কোচ। মেগা ম্যাচের আগের দিন ক্লাব মাঠে প্রায় ঘণ্টা খানেকের টিম মিটিংয়ে ফুটবলারদের উদ্বুদ্ধ করলেন পানোস।
পরিষ্কার বলে দিলেন, আমাদের অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে খেলতে হচ্ছে। কিন্তু ডুরান্ডের প্রথম ডার্বি জেতায় ফুটবলারদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস রয়েছে। ডার্বি জিততে মানসিক জোর বেশি লাগে। ছেলেদের সেটা আছে বলেই আমি মনে করি।
শিলং থেকে ফেরার ধকলের কারণে ডার্বির আগের দিন প্রথম একাদশের ফুটবলারদের হালকা অনুশীলন করালেন বাগান কোচ। ফাইনালের আগে সুচি নিয়ম তীব্র খুব প্রকাশ করেছেন মোহনবাগান কোচ । শিলং থেকে খেলে এসেই একদিন অনুশীলন করে ফাইনাল ম্যাচে খেলতে নামতে হচ্ছে।।
বাঙালির চিরকালীন বড় ম্যাচ ঘিরে ফুটছে ময়দান। শেষ বেলায় ম্যাচের আগের দিন টিকিটের হাহাকার। একটা টিকিট পেতে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরও দ্বারস্থ হচ্ছেন সমর্থকরা। দুই ক্লাবের কর্তাদের নিশানায় ডুরান্ড কর্তৃপক্ষ। বরাবরের মতো পর্যাপ্ত টিকিট পায়নি দুই প্রধান। ফলে সদস্য সমর্থকদের অনেককেই নিরাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে।
আবেগের বড় ম্যাচে আবেগ রয়েছে। কিন্তু ডার্বির কুশীলবদের তো আবেগে ভেসে গেলে চলবে না! দুই প্রধানের দুই চাণক্য এবং ফুটবলাররা আবেগ সরিয়ে ট্রফি জয়কে পাখির চোখ করছেন। মোহনবাগান সভাপতি দেবাশীস দত্ত অভিযোগ করেছেন ইস্টবেঙ্গলকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে তার আশঙ্কা ডার্বি ম্যাচে রেফারিং তাদের বিরুদ্ধে যেতে পারে
















