ডুরান্ড ফাইনালে ডার্বি হারের পর বুধবার কলকাতা লিগে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। ঘরের মাঠে তমলুক খেলাঘর জর্জ টেলিগ্রাফকে ৬-০ গোলে হারিয়ে দিল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন সুহেল ভাট। বাকি গোলগুলি করেছেন অ্যালেক্স সাজি, সন্দীপ মালিক ও অভিষেক সূর্যবংশী। ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন জর্জের অধিনায়ক রণজয় সামন্ত।
শুরু থেকেই দাপট দেখাতে শুরু করেন মোহনবাগান। ১৩ মিনিটে কিয়ানের সেন্টার থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সুহেল ভাট। ২০ মিনিটে দ্বিতীয় গোল এসেছিল, কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ২৩ মিনিটে বাঁ দিক থেকে আসা পাসে অনবদ্য টাচে ডান পায়ের আউটস্টেপে গোল করেন অ্যালেক্স সাজি।প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেই সাজঘরে ফেরে মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের ব্যবধান বাড়াতে থাকে মোহনবাগান। গোল করেন সন্দীপ মালিক। ৪৮ মিনিটে বিভান জ্যোতির লে-অফ থেকে সুযোগ পেয়েও গোল করতে পারেননি সুহেল। তবে ৫০ মিনিটে পরিবর্ত হিসাবে নেমেই অভিষেকে গোল করেন সূর্যবংশী। ৬১ মিনিটে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বল নিয়ে গোল করেন সুহেল আর ৭৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি।
এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে কলকাতা লিগের পয়েন্ট তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। কিন্তু স্কোরলাইনের ছয় গোলের চেয়েও বড় হয়ে রইল একটি আবেগঘন দৃশ্য, মোহনবাগানের প্রাক্তন তারকা ব্যারেটো, এ বার প্রতিপক্ষের কোচ হয়ে, নিজের প্রিয় মাঠে দাঁড়িয়ে সবুজ-মেরুনের গোলের পর গোল দেখে গেলেন।
এদিকে, ভারতের অনুর্দ্ধ-১৭ নারী জাতীয় দলের সহকারী কোচ নিযুক্ত হলেন ইস্টবেঙ্গলকে উপর্যুপরি ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগ জেতানো প্রশিক্ষক অ্যান্টনি অ্যান্ড্রুজ। ইতিমধ্যেই উজবেকিস্তান সফরে ভারতীয় দলটির সঙ্গে যোগ দিয়েছেন তিনি। ভারতের অনুর্দ্ধ-১৭ নারী জাতীয় দলে সুইডিশ প্রধান কোচ জোয়াকিম আলেকজান্ডারসনের সহকারী হিসাবে কাজ করবেন ৩০ বছর বয়সী এই মালয়ালি প্রশিক্ষক। পূর্ণ সময়ের জন্য ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দলের দায়িত্বে বহাল থাকার পাশাপাশি খণ্ডকালীন সময়ের জন্য জাতীয় দলের দায়িত্বে এসেছেন অ্যান্টনি অ্যান্ড্রুজ।
















