ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগান। কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জিতল সবুজ মেরুন। নির্ধারিত সময় শেষে খেলার ফল ছিল ১-১। টাইব্রেকারে ৯-৮ ফলে জয়ী মোহনবাগান।
Durand Cup: বিশালেই হাতেই শাপমুক্তি, জামশেদপুরের বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়ে সেমিতে মোহনবাগান
ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে মোহনবাগান। কোয়ার্টার ফাইনালে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে জিতল সবুজ মেরুন।
Sponsored

জামশেদপুর এফসি বিরুদ্ধে ম্যাচটা একেবারেই সহজ হল না মোহনবাগানের জন্য।এই ম্যাচের প্রথম একাদশে ছিলেন না ম্যাকলারেন। পাশাপাশি দলেই রাখা যায়নি মিগুয়েলকে। যদিও ম্যাচের দু মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন। গোল করেন সাহাল। দ্রাজিজের পাশ থেকে গোল করতে ভুল করেনি সাহাল।
কিন্তু শুরুতে গোল করে ম্যাচের রাশ নিজেদের দিকে নিতে পারেনি মোহনবাগান। বার বার প্রতি আক্রমণ নিয়ে যাচ্ছিল জামশেদপুর এফসি। এরই মধ্যে মোহনবাগানের একটি পেনাল্টির আবেদন খারিজ হয়।
প্রথমার্ধ শেষের আগেই রাশিথোইয়ের দূরপাল্লার শট ফিস্ট করে উড়িয়ে দিতে পারেননি সবুজ-মেরুনের গোলকিপার। ফলে বল গিয়ে পড়ল বক্সের সামনে দেবেন্দ্র মুরগাঁওকরের পায়ে। কার্যত ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দেন জামশেদপুরের উইঙ্গার।মোহনবাগানে মাঝমাঠে মিগুয়েল খেলছেন না । ফলে মাঝমাঠের শক্তির অভাব রয়েছে। ফলে গোলের জন্য ম্যাকলারেন সমীর, কিয়ান, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে নামিয়ে দিলেন প্যানোস। কিন্তু জামশেদপুর দুরন্ত লড়াই চালিয়ে গেল শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে শেষ হল।
টাইব্রেকারে রাহুল বেকে, সামির জেলকোভিচ, শুভাশিস বসু, জেমি ম্যাকলারেন, কিয়ান নাসিরি, অনিরুদ্ধ থাপা, আলবের্তো রদ্রিগেজ ও সুহেল বাট প্রত্যেকেই স্নায়ুর চাপ বজায় রেখে গোল করেন। বাগানের রক্ষাকর্তা সেই বিশাল। জামশেদপুর এফসির মামা শর্ট মিস করলে অভিষেক গোল করে দলকে জিতিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ৯-৮ ফলে জিতের সেমিফাইনালে টিকিট নিশ্চিত করল মোহনবাগান।ম্যাচ জিতলেও বাগানের পারফরম্যান্স নিয়ে কিন্তু একাধিক প্রশ্ন থাকছেই।
এখানেই শেষ জামশেদপুর এফ সি-র যাত্রা| ম্যাচ শেষে আবেগপ্রবণ ফুটবলার থেকে কোচিং স্টাফ সবাই।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













