মোহনবাগান ০(৪) নর্থইস্ট ইউনাইটেড ০(৩)
(টাইব্রেকারে জিতল মোহনবাগান)
রুদ্ধশ্বাস পেনাল্টি শুটআউটে ফের একবার নায়ক হয়ে উঠলেন গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের জোড়া শট রুখে দিয়ে মোহনবাগানকে পৌঁছে দিলেন ডুরান্ড কাপের ফাইনালে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের ম্যাচ গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এই জয়ের ফলে আগামী রবিবারের ডুরান্ড ফাইনালে আরও একবার দেখা যাবে চিরন্তন কলকাতা ডার্বি, মুখোমুখি হবে দুই প্রধান মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল।
দু’বছর আগে এই নর্থইস্টের কাছে টাইব্রেকারে হেরেই ডুরান্ড হাতছাড়া হয়েছিল মোহনবাগানের। এবার শিলংয়ের মাঠে তাদের ঘরের সমর্থকদের সামনেই সেই হারের মধুর প্রতিশোধ নিল ১৭ বারের চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের আগে প্রবল বৃষ্টির কারণে মাঠ বেশ ভারী ও পিচ্ছিল হয়ে পড়েছিল, যার জেরে দু’দলের স্বাভাবিক পাসিং ফুটবল অনেকটাই ব্যাহত হয়। রক্ষণভাগের তৎপরতায় প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবেই শেষ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের খোঁজে মরিয়া আক্রমণ শানায় উভয় পক্ষ। নর্থইস্টের আলাদিন ও ম্যাকার্টন কয়েকটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। অন্যদিকে আক্রমণভাগকে ধারালো করতে ৭১ মিনিটে মিগুয়েল ফেরেরা এবং ৮০ মিনিটে লালিয়ানজুয়ালা ছাংতেকে মাঠে নামান মোহনবাগান কোচ পানাজিয়োটিস দিমপেরিস। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কোনও দলই গোলমুখ খুলতে না পারায় ম্যাচ গড়ায় ভাগ্যপরীক্ষায়।
টাইব্রেকারে প্রথম তিনটি শটেই দু’দল ৩-৩ সমতায় ছিল। এর পর চতুর্থ শটে নর্থইস্টের রবিন যাদবের প্রয়াস বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন বিশাল। পরবর্তী শটে জেমি ম্যাকলারেন লক্ষ্যভেদ করে মোহনবাগানকে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। শেষ শটে পার্থিব গগৈয়ের শটও বিশাল আটকে দিতেই ফাইনালের ছাড়পত্র নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে সবুজ-মেরুন।
















