ভারতীয় বংশোদ্ভূত (OCI) ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে একটি ব্লু প্রিন্ট ফেডারেশনকে(AIFF) পাঠাল মোহনবাগান(Mohun bagan)।কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে সবুজ মেরুনের পক্ষ থেকে।
মোহনবাগানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক না করে ঐচ্ছিক রাখা উচিত এবং তাঁদের দেশীয় খেলোয়াড় হিসেবে গণ্য করা হলে ক্লাবগুলি আরও বেশি সংখ্যায় ওসিআই ফুটবলার দলে নিতে আগ্রহী হবে।
মোহনবাগান চাইছে, প্রত্যেক ক্লাব যাতে দু-তিনজন ফুটবলার ‘ডোমেস্টিক প্লেয়ার’ হিসাবে রেজিস্ট্রেশন করতে পারে। এ ব্যাপারে ফেডারেশনের কাছে দ্রুত অনুমতি চেয়েছে সবুজ-মেরুন ক্লাব।
এর পাশাপাশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের জন্য একটি সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণেরও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই বয়সসীমা ৩৫ করলে তা জাতীয় দলের জন্য লাভবান হবে।
প্রশ্ন হল, প্রত্যেক ক্লাবে কতজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত ফুটবলারকে দেখা যেতে পারে? এই ব্যাপারে ফেডারেশন এখনও পর্যন্ত কোনও রোডম্যাপ দেয়নি।
দুই প্রধানের কোচ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। পাঞ্জাব এফসির প্রাক্তন কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিসই মোহনবাগানের হেডস্যার হতে পারেন বলে জল্পনা চলছিল। সব ঠিকঠাক থাকলে প্যানাজিওটিস-এর হাতেই হয়তো উঠতো মোহনবাগানের রিমোট কন্ট্রোল। সূত্রের খবর, সবুজ-মেরুনে নাও দেখা যেতে পারে গ্রিক কোচকে।
লাল হলুদে হাবাসকে নিয়ে জল্পনা চরমে। জানা যায় সই পর্ব বাদে সবকিছুই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ইস্টবেঙ্গলে আসা শুধু সময়ের অপেক্ষা হাবাসের। হাবাস ২ বছরের চুক্তিতে ইমামি ইস্টবেঙ্গলে সই করেছে। যদিও ইমামির পক্ষ থেকে প্রেস রিলিজ দেওয়া হয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে পোস্ট। এই প্রেস রিলিজটি সম্পূর্ণ মিথ্যে। বিবৃতি দিয়ে জানালো ইস্টবেঙ্গল।
















