ডুরান্ড কাপে জয়ের ধারা অব্যাহত মোহনবাগানের। সাউথ ইউনাইটেডকে ৮-০ গোলে হারিয়ে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনালে স্থান নিশ্চিত করে ফেললো সবুজ মেরুন।
ডুরান্ড কাপে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ও সাউথ ইউনাইটেডের ম্যাচটি দেরিতে শুরু হয় । সন্ধ্যে ৭.২০ তে। প্রবল বৃষ্টির কারণে আগের জামশেদপুর এফসি বনাম স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি ম্যাচ দেরিতে শুরু হওয়ার কারণে সম্প্রচারের জন্য এমন সিদ্ধান্ত।
ডার্বি জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে এই ম্যাচে নামে মোহনবাগান। সাউথ ইউনাইটেড একে বারেই দুর্বল দল। প্রথম একাদশে চারটি পরিবর্তন করে দল নামান মোহনবাগান কোচ প্যানোস। দুই বিদেশি রদ্রিগেজ ও দ্রাজিজকে খেলানোর পাশাপাশি আপুইয়ার জায়গায় থাপা এবং কিয়ানের জায়গায় দীপক টাংরিকে প্রথম একাদশে রাখেন প্যানস ।
দুর্বল দলের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরু থেকে আক্রমন শুরু করে সবুজ মেরুন । ৪মিনিটে গোল করলেন মনবীর, সাহালের পাস থেকে নিখুঁত ফিনিস করলেন মনবীর। সাহাল লিস্টন মনবীরদের শুরু থেকেই লক্ষ্য ছিল গোল সংখ্যা বাড়ানো। ৯মিনিটে থাপার কর্নার থেকে গোল করলেন রদ্রিগেজ। ম্যাচের শুরুতেই ২ গোলের লিড পাওয়ায় চাপ আরও বাড়ায় মোহনবাগান। ১৮ মিনিটে এল তিন নম্বর গোল ব্রাজিলের শর্ট কর্নার থেকে গোল করলেন রাহুল থেকে ৪ মিনিট পরে ফের গোল মোহনবাগানের এবার গোলদাতা মনবির । এরপর আরও চার গোলে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান . সাহালের দুটো শর্ট পোস্টে লাগলো। প্রথমার্ধের শেষ দিকে লিস্টন এবং মনবির সহজ সুযোগ নষ্ট করলেন। তবে গোটা প্রথমার্ধে একমাত্র ৩৬ মিনিটে একটি শর্ট নিয়েছিল সাউথ ইউনাইটেড যদি রুখে দেন বিশাল বিশাল প্রথমার্ধের ৪ গোলে এগিয়ে থেকেই সাজঘরে ফেরে মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতেই পঞ্চম গোল পেয়ে যেত মোহনবাগান। আলবার্ট এর শট পোষ্টে লাগল। ৬০ মিনিটে হ্যাটট্রিক করলেন মনবীর। থাপার কর্নার থেকে গোল করলেন মনবীর। ৬৯ মিনিটে ৬ নম্বর গোল পেল মোহনবাগান। সাইউ ইউনাইটেডের নওয়েল আত্মঘাতী গোল করলেন ।।৭০ মিনিটে সুহেল, সায়নকে নামালেন প্যানোস। দীর্ঘদিন পর এই ম্যাচে চোট সারিয়ে নামলেন আশীস রাই। পরিবর্তন হিসেবে নেবে ম্যাচের শেষ দিকে জোড়া গোল করলসোহ সুহেল। ৮ গোলে জিতে গ্রুপ পর্বে শীর্ষ চলে গেল মোহনবাগান একইসঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে অবস্থান প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল।
দেশ তথা এশিয়ার প্রাচীনতম টুর্নামেন্ট ডুরান্ড ,কিন্তু সেই টুর্নামেন্ট এ সাউথ ইউনাইটেডের মতো বড্ড বেমানান। বেঙ্গালুরুর এই দলটি আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনে খেলে। কিন্তু এই ধরনের দল খেলায় ডুরান্ড কাপের মান নামছে।
ভোরে কলকাতায় এসেই সন্ধ্যায় ম্যাচ দেখতে এলেন জেমি ম্যাকলারেন। এই ম্যাচে নামলে অজি তারকাও হয়ত গোল পেয়ে যেতে পারতেন।
















