মোহনবাগানের (Mohun Bagan ) নতুন কোচ নিযুক্ত হলেন পানাগিওটিস দিলমপেরিস(Panagiotis Dilmperis )। প্যানোস নামে যাঁর পরিচিতি। দীর্ঘদিনের জল্পনার শেষে ৫১ বছর বয়সী গ্রীসের এই প্রাক্তন গোলরক্ষকের হাতেই দলের কোচিংয়ের দায়িত্বভার তুলে দিল সবুজ মেরুন টিম ম্যানেজমেন্ট। খেলা ছাড়ার পর ২০১১ থেকে টানা ১৫ বছর বিভিন্ন দেশে কোচিং করিয়েছেন ডিল্মপেরিস। বিগত দুই মরসুমে পাঞ্জাব এফসি-র প্রধান কোচ হিসাবে তারুণ্যনির্ভর দল নিয়েও বেশ সাফল্য পেয়েছেন তিনি। 

 

মোহনবাগানকে বেছে নেওয়ার কারণ হিসাবে  এমবি এসজি মিডিয়াকে  সাক্ষাৎকারে পানাগিওটিস দিলমপেরিস বলেন, আসলে মোহনবাগান কেবল একটি ফুটবল ক্লাব নয়— একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান, যার সঙ্গে রয়েছে গৌরবময় ইতিহাস, জয়ের সংস্কৃতি এবং এশিয়ার অন্যতম সেরা আবেগপ্রবণ ও অনুরাগী সদস্য সমর্থক। যা ভারতের আর কোনও ক্লাবের নেই।

শহরে আসার আসে কলকাতা ফুটবল নিয়ে হোমওয়ার্ক সেরে নিয়েছেন বাগানের নতুন কোচ। দায়িত্ব নিয়েই তাঁর নজরে ডার্বি। ডুরান্ড কাপের ডার্বি প্রসঙ্গে বাগানের হেড স্যার বলেন, ফুটবল দাঁড়িয়েই আছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর। আর ভারতে আসার পরই জেনে গিয়েছি কলকাতা ডার্বি বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঐতিহাসিক ম্যাচগুলোর একটি। সমর্থক, খেলোয়াড় এবং ক্লাবের সাথে যুক্ত প্রত্যেকের কাছে এর গুরুত্ব কতটা, তা আমি জানি। এই ধরনের ম্যাচের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার সেরা উপায় কেবল আবেগ নয়, বরং চমৎকার প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামা। আমরা প্রতিপক্ষকে সম্মান করব, তবে একই সঙ্গে মোহনবাগানের ঐতিহ্যের সাথে মানানসই সাহসিকতা নিয়ে এই ডার্বি জিততেও চাইব।

সমর্থকদের উদ্দেশ্যে প্যানোস বলেছেন, সমস্ত মোহনবাগান সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই,  এই ক্লাব আপনাদের কাছে কতটা আবেগের জায়গা তা আমি জানি। এই ক্লাবের জার্সি গায়ে জড়ানোর পর দায়িত্ব কতটা বেড়ে যায়, তাও আমি বুঝি। ক্লাব ম্যানেজমেন্ট, আমার কোচিং স্টাফ এবং খেলোয়াড়দের সঙ্গে নিয়ে আমরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করব যাতে সবুজ মেরুন সমর্থকরা গর্বিত হতে পারেন।