প্রথম ভারতীয় দাবাড়ু হিসাবে গ্র্যান্ড চেজ ট্যুর খেতাব জিতলেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। ফাইনালে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে ম্যাচ জিতে নয়া ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতীয় তরুণ দাবাড়ু। ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন প্রজ্ঞানন্দ।
প্রথম ক্লাসিক্যাল গেমসে প্রজ্ঞানন্দ'কে হারিয়ে ফাইনালে এগিয়ে গিয়েছিলেন কারুয়ানাপ্রথম গেম জিতে ৬-০ ব্যবধানে এগোন কারুয়ানা ।দ্বিতীয় ক্লাসিক্যাল গেম ড্র হওয়ায় ৯-৩ ব্য়বধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালের প্রথমদিন শেষ করেছিলেন ইতালিয়ান গ্র্যান্ডমাস্টার ৷ অর্থাৎ, ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে শেষ দিনে খেলতে শুরু করেন প্রজ্ঞানন্দ। ৷ তবে পিছিয়ে থাকার তোয়াক্কা না-করে নিমেষে ম্যাচের রং বদলে দেন চেন্নাইয়ের দাবাড়ু ৷ জোড়া ব়্যাপিড গেমস জিতে ফাইনালে লিড নেন ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার ৷ এরপর ব্লিৎজ বিভাগে নার্ভ শিথিল রেখে ১৫-১৩ ব্যবধানে বাজিমাত করে যান প্রজ্ঞা ৷
২০২৬ সালটা প্রজ্ঞানানন্দের জন্য ওঠাপড়ায় ভরা হলেও শেষপর্যন্ত সাফল্যে মোড়া। চলতি বছরের শুরুতে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি তিনি। এরপর নরওয়ে চেসে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন। সেখানে দু’বার শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ম্যাগনাস কার্লসেনকেও হারান ভারতীয় তারকা।
এই মেগা জয়ের সুবাদে প্রজ্ঞানন্দের পকেটে ঢুকল ২ লক্ষ মার্কিন ডলার বা প্রায় ১ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি ২০২৭ সালের ট্যুরে নিজের জায়গাও পাকা করে ফেললেন তিনি। সেন্ট লুইস ও সিঙ্কফিল্ড কাপ মিলিয়ে এই বছর মোট ৪ লক্ষ ৪ হাজার ৩৫৪ ডলার (প্রায় ৩.৪ কোটি টাকা) প্রাইজমানি জিতেছেন।
এই জয়ের প্রজ্ঞানন্দ বলেন, “সত্যি বলতে, আজ আমার খুব বেশি সুযোগ আছে বলে মনে হয়নি। ছয় পয়েন্টের ঘাটতি অনেকটাই। কার্যত আমাকে যা করেছি, সেটাই করতে হত।”
দুরন্ত প্রত্যাবর্তন সম্পর্কে প্রজ্ঞানানন্দ বলেন, “ফ্যাবির বিরুদ্ধে একটা ম্যাচ জেতাও সহজ নয়, কিন্তু র্যাপিডে দুটো জয় পাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত বছরের তুলনায় আমার র্যাপিড ও ব্লিটজ অনেক উন্নত হয়েছে। এই ফরম্যাটে এটা আমার বড় উন্নতি।”
















