ডুরান্ড কাপ জয়ের পর এবার ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য আইএসএল। দল আরও শক্তিশালী করতে  অভিজ্ঞ সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার রেনিয়ার ফার্নান্দেজকে(Raynier Fernandes ) সই করালো লাল হলুদ। ৩০ বছর বয়সী রেনিয়ার কেরিয়ার শুরু করেন এয়ার ইন্ডিয়া এফসি-তে।  এর পাশাপাশি খেলেছেন মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসি, ওড়িশা এফসি ও এফসি গোয়া ও জামশেদপুর এফসি-র মতো আইএসএল ক্লাবে। জাতীয় দলেও প্রতিনিধিত্ব করেছেন। । 

মূলত মাঝমাঠের ফুটবলার হলেও ৩০ বছরের ফার্নান্ডেজ গোলও করতে পারেন।এই মরশুমের শুরুতে ডুরাণ্ড কাপের জন্য তাঁকে দুই মাসের স্বল্পকালীন চুক্তিতে দলে নেয় জামশেদপুর এফসি। এই ডুরাণ্ড কাপ চলাকালীন ক্লাবটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা হওয়ায় ফ্রি ফুটবলার ছিলেন রেনিয়ার।মোহনবাগানের প্রাক্তন ফুটবলার ফার্নান্ডেজের সঙ্গে ডুরান্ড কাপের সময়ই যোগাযোগ করেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা।  

আইএসএলের লিগ শিল্ড, কাপ, সুপার কাপ সবই জিতেছেন তিনি। অতীতে মুম্বই সিটি এফসি, ওড়িশা এফসি, এফসি গোয়া, জামশেদপুরের হয়ে ডুরান্ডে ভালো পারফরম্যান্স করেন। 

 

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল অতীতে কলকাতা ময়দানেও খেলে গিয়েছেন রেনিয়ার। অনেক বছর আগে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানের জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন। বছর দুই সবুজ-মেরুন জার্সিতে খেলেন। মোট ১৯টি ম্যাচ মোহনবাগানের হয়ে খেলেছেন। ফলে কলকাতা ময়দান ভালো চেনেন রেনিয়ের। আগামী দিনে কোচ হাবাসের সম্পদ হতে পারেন তিনি। এডমুন্ড, বিষ্ণু, বিপিন, মহেশদের পাশে মাট কাঁপাতে প্রস্তুত রেনিয়ের।

এদিকে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে বিদায় জানিয়েছেন 'হেড অফ ফুটবল' হিসাবে কর্মরত প্রশিক্ষক থাংবোই সিংটো। হায়দ্রাবাদ এফসি-র কোচিং ছেড়ে গত মরসুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলে এসে এই পদে যোগদান করার পর ক্লাবের দলগঠনে বড় ভূমিকা ছিলো তাঁর। বিশেষত বিপিন সিংয়ের মতো তাঁর বেশ কয়েকটি রিক্রুট যে ইস্টবেঙ্গলকে গত মরসুমে আইএসএল ও সদ্য ডুরাণ্ড কাপ জিততে বড় ভূমিকা রেখেছে, সেটা বলাই বাহুল্য। কিন্তু তাঁকে ক্লাবে এনেছিলো তৎকালীন বিনিয়োগকারী ইমামি এবং এই গোষ্ঠী ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর থাংবোই সিংটোও কিছুদিন ধরেই আর থাকতে চাইছিলেন না।