ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন(Spain)। সেমি ফাইনালে ফ্রান্সকে(France) ২-০ গোলে হারাল স্পেন। স্পেনের হয়ে দুই অর্ধে গোল দুটি করেন মিকেল ওয়ারজাবাল ও পেদ্রো পোরো। ২০১০ সালের পর আবার বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেন । আগামী শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারক ম্যাচ খেলবে ফ্রান্স।
কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচে, চোট পেলেও এই ম্যাচে শুরু থেকেই খেলতে শুরু করেন ফ্রান্সের তারকা স্ট্রাইকার এমবাপে। ফ্রান্সের লক্ষ্য ছিল শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তোলা যাতে। স্পেনের ডিফেন্সকে ব্যস্ত রাখা যায়। ফ্রান্স খেলতে নেমেছিল ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে। অন্যদিকে ভ্রমনকে শক্তিশালী করতে স্পেনের ছক ছিল ৪-১-২-৩। এমবাপেকে শুরু থেকেই কড়া নজরে রাখেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডাররা।।সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারছিলেন না।
কিছুটা খেলার গতির বিপরীতে গিয়ে গোল পায় স্পেন। ২০ মিনিটে বক্সের মধ্যে ইয়ামালকে ফাউল করেন ফরাসি ডিফেন্ডার ডিগনে । গোল করতে ভুল করেননি ওয়ারজাবাল। চলতি মরশুমে স্পেনেরল হয়ে ১৪টি গোল হয়ে গেল তাঁর। । গোল খেয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও আক্রমনের রাস্তা থেকে সরে আসেনি ফ্রান্স। তাদের আক্রমণ ছিল সবই ডান প্রান্তিক। ফলে স্পেন বক্সে সেভাবে ক্ষুরধার আক্রমণ হচ্ছিল না। প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে এক গোলে এগিয়েই সাজঘরে ফেরে স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে গোলের লক্ষ্যে মরিয়া থাকে ফ্রান্স, এমবাপে-দেম্বলেদের যাবতীয় আক্রমণের সমাপ্তি হচ্ছিল স্পেন রক্ষণে। উল্টে ৫৮ মিনিটে পোরোর দুরন্ত গোল পেদ্রো পোরোর। দু’গোল হজম করা পর সেই ফরাসি ব্রিগেড একেবারে ছন্নছাড়া হয়ে গেল। গোলের শট নেওয়ার সুযোগই ফ্রান্সকে দিচ্ছিল না স্পেন।
৬১ মিনিটে প্রায় তৃতীয় গোল পেয়ে গিয়েছিল স্পেন। ডান প্রান্তে বল পেয়ে লামিনে ইয়ামাল গতি ও স্কিলের মিশেলে বক্সে ঢুকে বাঁ-পায়ের নিখুঁত কার্লিং শটে বল জালে জড়ান। কিন্ত অফসাইডে গোল বাতিল হল। বা্কিটা সময় শুধুই এমবাপেদের বল নিয়ে ছোটাছুটি কাজের কাজ কিছুই হল না। স্প্যানিশ রক্ষণে বার বার ধাক্কা খেতে হল ফরাসিদের।ম্যাচ যত গড়াল, ততই কাঁধ ঝুলে গেল গত দু’বারের ফাইনালিস্টদের।
আলাদা করে বলতে হয় স্পেনের গোলরক্ষকের। উনাই সিমোন বেশ কয়েকবার গোললাইন থেকে অনেকখানি বেরিয়ে এসে আটকেছেন ফ্রান্সের আক্রমণ।
ফাইনালে উঠার হ্যাটট্রিকের সুযোগ অধরাই থাকল ফ্রান্সের। এমবাপেদের শেষ আশা ব্রোঞ্জ পদকই।
















