ভারতীয় ক্রিকেটের একটা খুব চালু চর্চা এবার সামনে এনে ফেললেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। তিনি সরাসরি স্বীকার করলেন বোর্ড তাঁকে কোচের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু তিনি ফিরিয়ে দেন। বরং সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের ডিরেক্টরের পদেই আরও দু’বছর থাকতে রজি হয়েছিলেন।
এই বুঝি লক্ষ্মণ কোচ হয়ে গেলেন, এমন একটা আলোচনা বছরভর চলতেই থাকে। তিনি কোচ হতে চান আর বোর্ড তাঁকে এই দায়িত্ব দিচ্ছে না, নাকি লক্ষ্মণই রাজি হচ্ছেন না এটা নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছে। এখনও তার রেশ রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘকায় হায়দরাবাদি এবার সরাসরি খোলসা করলেন যে তাঁর সামনে সত্যিই কোচ হওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। সেটা ২০২৪-এ। রাহুল দ্রাবিড় কোচ হিসাবে কাজ শেষ করার পর।
কিন্তু লক্ষ্মণ ভারতীয় দলের হেড কোচ হতে চাননি। তার বদলে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের প্রধান কর্তা হিসাবে আরও দুই বছর থেকে যেতে রাজি হয়ে যান। লক্ষ্মণের এই দায়িত্ব শেষ হবে ২০২৬-এ। তিনি বলেছেন, বোর্ড কর্তারা আমাকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। আমি এখানে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সামনে মেলে ধরতে পারছি। তাই আরও দুই বছর থেকে যেতে রাজি হয়েছি। লক্ষ্মণ এরপর স্পষ্ট বলেন, আমাকে ২০২৪-এ ভারতীয় দলের হেড কোচ হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমি রাজি হইনি। বলে দিয়েছিলাম কখনও হেড কোচের দায়িত্ব নেব না। এটা আপনার সবাই জানেন। মূলত পরিবার ছেড়ে বছরের অনেকটা সময় তিনি বাইরে থাকতে রাজি ছিলেন না।
দ্রাবিড়ের পর ভারতীয় দলের কোচ হয়েছেন গৌতম গম্ভীর। লক্ষ্মণ নিজের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে সেন্টার অফ এক্সেলেন্সকে সাজিয়ে নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ঠিক করেছিলাম দু’বছর পর আমি চলে যাব, কিন্তু সিওইর গঠন, প্রসেস ও প্রোটোকল একইভাবে চলবে। এই আমি চলে যাব কথাটার মধ্যে কি অন্য ইঙ্গিত লুকিয়ে আছে। অজিত আগারকরের এক বছরের বর্ধিত মেয়াদ শেষ হচ্ছে সেপ্টেম্বরে। তাঁকে ফের এক্সটেনশন দেওয়ার সম্ভাবনা কম। লক্ষ্মণ কি এবার সিওই ছেড়ে প্রধান নির্বাচকের চেয়ারে বসবেন? তিনি অবশ্য ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি শব্দও বলতে চাননি।
















