Site Logo

বিজয় উৎসবের পরেই রণক্ষেত্র সন্দেশখালি! নব্য-আদি দ্বন্দ্বে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরাই

EBBS Desk·
বিজয় উৎসবের পরেই রণক্ষেত্র সন্দেশখালি! নব্য-আদি দ্বন্দ্বে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরাই
লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তীব্র দলীয় কোন্দলে রক্ত ঝরল সন্দেশখালিতে। ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার এই স্পর্শকাতর এলাকায় ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে বিজেপির অন্দরে আদি এবং নব্য শিবিরের লড়াই চরমে উঠেছিল। রবিবার বিকেলে সেই অভ্যন্তরীণ বিবাদই প্রকাশ্য রাস্তায় খণ্ডযুদ্ধের রূপ নিল। নিজেদের দলীয় কর্মীদের ওপরই ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির মণিপুর এলাকায়। এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের জেরে এলাকায় নতুন করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্দেশখালি এলাকায় বিজেপির জয়ের পর রবিবার মণিপুর অঞ্চলে একটি বিজয় মিছিলের আয়োজন করেছিলেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। আবির খেলা আর বাজি ফাটানোর মধ্য দিয়ে সাড়ম্বরেই চলছিল সেই মিছিল। কিন্তু অভিযোগ, মিছিল শেষ করে যখন কর্মী-সমর্থকরা বাড়ি ফিরছিলেন, তখনই ওত পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতী তাঁদের ওপর আচমকা চড়াও হয়। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই লাঠিসোটা এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এই হামলায় ধারালো অস্ত্রের কোপে রক্তাক্ত হন অন্তত তিনজন বিজেপি কর্মী। তাঁদের আর্তনাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে এলাকায়। আক্রান্ত শিবিরের দাবি, পরিকল্পনা করে তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং এর পেছনে বিরোধী রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের বক্তব্য, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই এলাকায় বিজেপির দাপটে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা কার্যত ঘরবন্দি, অনেকেই এলাকা ছাড়া। ফলে এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের পক্ষে হামলা চালানো অসম্ভব। বাসিন্দাদের দাবি, মূলত এলাকার রাশ কার হাতে থাকবে, তা নিয়েই বিজেপির পুরনো কর্মীদের সঙ্গে নবাগতদের বিবাদ চলছিল। বিজয় মিছিলের রেশ ধরে সেই আদি ও নব্যদের গোষ্ঠী কোন্দলই এদিন রক্তক্ষয়ী চেহারা নেয়। নিজেদের কোন্দল ঢাকতেই এখন দায় এড়াতে বিরোধী শিবিরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা চলছে।

এই ঘটনার পর থেকে মণিপুর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে যাতে কোনো অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়ানো হয়েছে। দলের অন্দরের এই রক্তক্ষয়ী লড়াই নিয়ে জেলা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব অবশ্য মুখ খুলতে চাননি। তবে বিজয় উৎসবের আবহ কাটতে না কাটতেই যেভাবে নিজেদের কোন্দলে কর্মীরা রক্তাক্ত হলেন, তা নিয়ে দলের অন্দরেই অস্বস্তি বাড়ছে।

আরও পড়ুন- জেলায় জেলায় বিজেপির গুন্ডাবাহিনীর তাণ্ডব! ঘরছাড়াদের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখল টিম তৃণমূল

_

_

Sponsored

Sranchi In Article

_

_

_

_

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

দুর্নীতিতে কোনো রেয়াত নয়! ক্যাগ রিপোর্ট পেশের দিনক্ষণ জানিয়ে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর
রাজ্য

দুর্নীতিতে কোনো রেয়াত নয়! ক্যাগ রিপোর্ট পেশের দিনক্ষণ জানিয়ে হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

1h ago

“কর্মফল তো মিলবেই!” দলবদল প্রসঙ্গে বিধানসভায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী
রাজ্য

“কর্মফল তো মিলবেই!” দলবদল প্রসঙ্গে বিধানসভায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী

1h ago

কবি সুভাষের পর এবার সিটি সেন্টার মেট্রো স্টেশনের পিলারেও ফাটল! উদ্বিগ্ন যাত্রীরা
রাজ্য

কবি সুভাষের পর এবার সিটি সেন্টার মেট্রো স্টেশনের পিলারেও ফাটল! উদ্বিগ্ন যাত্রীরা

2h ago

প্রতিশ্রুতি পূরণ মু্খ্যমন্ত্রীর! রাজ্যে গঠিত হল সপ্তম পে কমিশন, চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অতনু চক্রবর্তী
রাজ্য

প্রতিশ্রুতি পূরণ মু্খ্যমন্ত্রীর! রাজ্যে গঠিত হল সপ্তম পে কমিশন, চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অতনু চক্রবর্তী

3h ago

‘ঘুষখোর’ পুলিশদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ! খোলা হচ্ছে কন্ট্রোলরুম: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ২০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা
রাজ্য

‘ঘুষখোর’ পুলিশদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ! খোলা হচ্ছে কন্ট্রোলরুম: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ২০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের পরিকল্পনা

4h ago

গণতন্ত্রের পীঠস্থানে শারীরিক বলপ্রয়োগ! বিধানসভায় কুণালকে টেনে-হিঁচড়ে বের করার তীব্র নিন্দা অভিষেকের
রাজ্য

গণতন্ত্রের পীঠস্থানে শারীরিক বলপ্রয়োগ! বিধানসভায় কুণালকে টেনে-হিঁচড়ে বের করার তীব্র নিন্দা অভিষেকের

5h ago

More from রাজ্য

View All →