‘ল্যান্ড-লাভ জিহাদ’ রুখতে কঠিন পরিকল্পনার কথা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী

চৈতন্যদেব, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মাটিতে রাষ্ট্রবিরোধীদের কোনও জায়গা নেই। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের এক দেশ, এক প্রধান, এক বিধান, এক নিশান-এর স্লোগানকে সামনে রেখে শুক্রবার রবীন্দ্র সদনে বন্দে মাতরমের ১৫০ তম বর্ষপূর্তি উদযাপনে এই কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পাশাপাশি জমি জেহাদ, লাভ জেহাদ, জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের বিরুদ্ধেও রাজ্য সরকার কঠোর আইন আনছে বলে জানান শুভেন্দু।
Sponsored

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “চৈতন্যদেব, নেতাজি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamapasad Mukharjee) মাটিতে এই সব হবে না। জমি জেহাদ, লাভ জেহাদিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনা হবে। যারা অনুপ্রবেশকারী তাদের হোল্ডিং সেন্টারে রেখে যেখান থেকে এসেছিল সেখানে পাঠানো হচ্ছে।” তীব্র আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, "যারা এই খুলে থাকা সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে ল্যান্ড জিহাদ, লাভ জিহাদ, ধর্ম পরিবর্তন এবং নানা ধরনের জিহাদি কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতীয় সংস্কৃতি, সনাতন সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রবাদকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে বা করেছে, তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। এই সব অনুপ্রবেশকারীদের হোল্ডিং স্টেশনে রেখে সরাসরি তারা যেখান থেকে এসেছিল, সেখানেই ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি আমরা।"
Sponsored

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ক্ষমতায় আসার পরে আমাদের প্রথম লক্ষ্যই ছিল পশ্চিমবঙ্গকে সুরক্ষিত করা। আমরা ইতিমধ্যেই সীমান্তে প্রয়োজনীয় জমি BSF-এর হাতে তুলে দিয়েছি। কাঁটাতারের বেড়া বা সীমান্ত সুরক্ষার কাজের জন্য আরও জমি তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জাতীয় সুরক্ষা যেভাবে বিপন্ন হচ্ছিল, সেখান থেকে আমরা আমাদের দেশ এবং এই বঙ্গভূমিকে বাঁচাতে চেয়েছি।"
Sponsored

বিজেপির (BJP) নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বাংলায় কার্যকর করা। এ দিন রবীন্দ্র সদনের অনুষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রবিরোধীদের কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “শ্যামাপ্রসাদের ভূমিতে রাষ্ট্রবিরোধী কাজ হবে না। যারা অপারেশন সিন্দুরকে অপমান করে, দেশকে অপমান করে, পহেলগাম হামলার প্রতিবাদ করে না। বাংলার ভূমিতে তাদের জায়গা হবে না। অনুপ্রবেশকারীদের হোল্ডিং স্টেশনে রাখা হচ্ছে। যেখান থেকে এসেছেন সেখানে পাঠানো হবে।”
Sponsored

অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "এক্ষেত্রে একটা বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার। ধর্ম বাঁচানোর জন্য বা নিজের পরিচয়কে বাঁচানোর জন্য ওপার থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁরা অনুপ্রবেশকারী নন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তৈরি করা সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট অর্থাৎ CAA-এর আওতায় হিন্দু-সহ অন্য যারা এসেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই শরণার্থী।" অনুষ্ঠানের পর ভবানীপুরে একটি বিজেপি কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শুভেন্দু।
Sponsored

-
Sponsored

-
-
-
-
Related Articles

'তোমাকে ছাড়া চিনি না’: নেত্রীকে কৃতজ্ঞতা! তর্পণের প্রকৃত মঞ্চেই অবস্থান শহিদ পরিবারের
Just now

ফেসবুক লাইভে 'অবমাননাকর' মন্তব্য! মদন মিত্রকে ১০ কোটির নোটিশ অভিষেকের
8h ago

চলতি অর্থবর্ষেই সপ্তম বেতন কমিশন! বকেয়া ডিএ নিয়েও বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
9h ago

শিক্ষক বদলিতে ‘সুপারিশ-সংস্কৃতি’ শেষ, চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের সাম্মানিক বৃদ্ধির আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর
9h ago

গ্রেফতারির পর আদালত থেকে জামিন পেলেন অসিত মজুমদার
11h ago

'প্রধানমন্ত্রী সূর্যঘর যোজনা' নিয়ে উপভোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
12h ago





