ঋতব্রত শিবিরে গিয়েও লাভ হল না। ধরে রাখতে পারলেন না বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ। সূত্রের খবর, চাপের মুখেই এই পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফয়জুল হক ওরফে কাজল শেখ। তাঁর দেওয়া ইস্তফাপত্রও গ্রহণ করেছে প্রশাসন। এর প্রতিক্রিয়া দিয়েছে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।
অনাস্থা প্রস্তাবের পরেই জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ থেকে ইস্তফা কাজলের! খোঁচা কুণালের
Sponsored

আরও পড়ুন: ভরদুপুরে চম্পাহাটিতে বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! গুরুতর জখম ৫
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকে বীরভূম জেলা পরিষদে যাওয়া বন্ধই করে দিয়েছিলেন কাজল। যার ফলে স্থায়ী সমিতির বৈঠক থমকে ছিল। এই পরিস্থিতিতে বীরভূমের জেলা সভাধিপতি কাজল শেখের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ে। বীরভূম জেলা পরিষদের ৫২ জন সদস্যের মধ্যে ১৯ জন সদস্য এই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ১৯ জন অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ।
আরও পড়ুন: খড়দহে কল্যাণী এক্সপ্রেসের ধারে প্রকাশ্যে পুকুর ভরাট, প্রশাসন জানে না মদত দিচ্ছে!
কাজল জানান, ব্যক্তিগত কারণে এবং স্বেচ্ছায় তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর উপর কোনওরকম চাপ বা জবরদস্তি ছিল না। পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে বীরভূমের জেলাশাসক এবং জেলা পরিষদের নির্বাহী আধিকারিককেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের হেফাজতে থাকা সমস্ত নথি, রেজিস্টার, সিলমোহর এবং অন্যান্য সম্পত্তি হস্তান্তরের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
কাজলকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক বলেন,“ওদিকে তো সব ভালো তৃণমূল। তাহলে ভালোদের মধ্যে এত গুঁতোগুঁতি কেন? আসলে সবটাই পুলিশকে দিয়ে ধমকানি-চমকানির রাজনীতি চলছে, যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।”
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













