অবশেষে লালবাজারের গুন্ডাদমন শাখার জালে 'মিনি ফিরোজ'। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে গাড়ি করে পালানোর সময় হাতেনাতে ধরে পুলিশ। তবে মহম্মদ ফিরোজ খান ওরফে মিনি ফিরোজের সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর প্রধান সাগরেদ মহম্মদ সাজিদকেও। এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ, অস্ত্র উঁচিয়ে ভীতি প্রদর্শন, গুলিচালনা, এমনকি বিদ্যুৎ চুরি ও বেআইনি পার্কিং মিলিয়ে ফিরোজের বিরুদ্ধে মোট ৩৭টি মামলা রয়েছে। একাধিকবার পুলিশের চোখে ধুলো দিয়েছেন ফিরোজ। তবে ২০১০ সাল থেকে তাঁর রমরমা শুরু বলেই সূত্রের খবর। ২০২০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এলাকায় নির্মাণ ব্যবসায় সিন্ডিকেট চালানো থেকে শুরু করে, একাধিক অবৈধ কাজে তাঁর নাম জড়ায়। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন মিনি ফিরোজ। আরও পড়ুন: মেসিকাণ্ডে অরূপকে ফের হাজিরার নোটিশ পুলিশের
গত বছর ১১ সেপ্টেম্বর গুলশন কলোনিতে বন্দুক নিয়ে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে তারপর থেকেই সে পলাতক ছিল। এলাকা ছাড়লেও সমাজমাধ্যমে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করত ফিরোজ। এরপর গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশ, দিল্লি থেকে সাজিদকে গ্রেফতার করে। তবে কিছুদিন আগে জামিনে মুক্তি পেয়েই ফের অপরাধমূলক কাজে জড়ায়।
গত ২৩ জুন তপসিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের হতেই ফের তদন্তে নামে পুলিশ। এছাড়া ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের ওপর বাড়ির সামনে গুলিচালনার ঘটনাতেও এই মিনি ফিরোজের নাম জড়িয়েছিল। তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় গ্রেফতারির পর দুই দুষ্কৃতীকেই ওই থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে তার প্রধান সাগরেদ মহম্মদ সাজিদকেও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজা থেকে গাড়ি করে পালানোর সময় তাদের হাতেনাতে ধরে পুলিশ।
















