বিলবোর্ড-বিতর্কে ফের তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশের দল। রবিবার সকালে ১২১ নম্বর কালীঘাট রোডের বাড়িতে নোটিশ দিতে পৌঁছয় শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। তাদের সঙ্গে ছিল কালীঘাট থানার পুলিশও। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের সামনে বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ বলে সূত্রের খবর। আগামিকাল শেক্সপিয়র সরণি থানায় তলব করা হয়েছে সাংসদকে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যসচিবকে সরানো হয়নি কেন, অভয়া-কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ অনিকেত

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৭ অগাস্ট। ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতর যে ভবনে, সেখানে লাগানো একটি বিলবোর্ড সরাতে যান কলকাতা পুরসভার কর্মীরা। বিলবোর্ডটি বেআইনি এবং নিরাপত্তার পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করেছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সেটি খুলতে গিয়ে পুরকর্মী, পুলিশ এবং তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ ওঠে, পুরকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া হয় এবং তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশকর্মীদের হেনস্থা করার পাশাপাশি মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও সামনে আসে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শেক্সপিয়র সরণি থানায় মোট তিনটি এফআইআর দায়ের হয়।

আরও পড়ুন: “গ্রেফতার নয়, কিডন্যাপ করা হয়েছিল”: মুক্তির পর বিস্ফোরক ইউটিউবার ধ্রুব!

মামলার তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর। তিনটি মামলার মধ্যে দু’টিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার জামিন অযোগ্য ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তের স্বার্থে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। সেই কারণেই ফের তাঁর বাড়িতে নোটিশ দিতে পুলিশের এই পদক্ষেপ। এর আগে এই বিলবোর্ড-কাণ্ডে অভিষেককে থানায় হাজিরাও দিতে হয়েছিল।