জ্ঞানেশ কুমারের (Gyanesh Kumar) পদত্যাগের দাবিতে ফের পথে বাম ছাত্র সংগঠন। রবিবার দুপুরে শিয়ালদহ (Sealdah) থেকে ধর্মতলা (Dharmatala) পর্যন্ত মিছিল করে এআইডিএসও (AIDSO)। মিছিল থেকে নির্বাচন কমিশনের এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বাতিলেরও দাবি জানানো হয়। অন্যদিকে, পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে (Bhagabanpur) এসইউসিআইয়ের (SUCI) মিছিলকে কেন্দ্র করে ছড়াল তীব্র উত্তেজনা। অভিযোগ, মিছিল লক্ষ্য করে হামলা চালায় বিজেপি (BJP) ও এবিভিপি (ABVP)। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে দাবি বামেদের। যদিও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
আরও পড়ুন: “গ্রেফতার নয়, কিডন্যাপ করা হয়েছিল”: মুক্তির পর বিস্ফোরক ইউটিউবার ধ্রুব!
রবিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ শিয়ালদহ থেকে মিছিল শুরু করেন এআইডিএসওর সদস্য ও সমর্থকেরা। মিছিল থেকে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের দাবি, দেশে কার্যত অঘোষিত জরুরি অবস্থা চালানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। দিল্লির সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গ টেনে আন্দোলনকারীদের আরও দাবি, নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের আচরণেই তাঁদের রাজনৈতিক উদ্বেগ ও ভয়ের ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতেও সরব হন তাঁরা।
আরও পড়ুন: “সাহস থাকলে প্রমাণ দেখান!” রেখার সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কের গুজবে চরম ক্ষুব্ধ অমিতাভ
অন্যদিকে, ভগবানপুরে এসইউসিআইয়ের মিছিল ঘিরে এদিন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে মিছিল করার কারণেই তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ বামেদের। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। হামলার পিছনে বিজেপি ও এবিভিপির হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে এসইউসিআই।
যদিও বামেদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের পাল্টা দাবি, বামেদের মিছিল থেকেই কটূক্তি করা হয়েছিল। তবে হামলার ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই বলেই দাবি দলের। ভগবানপুরের বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিকও বিজেপির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় বিজেপি জড়িত ছিল না। পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।















