বিনোদনের দুনিয়ায় বড় চমক। দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের বহুপ্রতীক্ষিত বাংলা ছবি ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’-এর ট্রেলার শেয়ার করে পুরো টিমকে অভিনন্দন জানালেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। বিগ বি-র মতো কিংবদন্তির এই বিশেষ শুভেচ্ছাবার্তায় অত্যন্ত আপ্লুত ও আবেগঘন হয়ে পড়েছেন পরিচালক স্বয়ং।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ছবির ট্রেলারটি শেয়ার করে অমিতাভ বচ্চন স্মরণ করেন ‘কথাশিল্পী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫০তম জন্মবার্ষিকীর কথা। তিনি লেখেন, “শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী, যিনি দেবদাস এবং পরিণীতার মতো উপন্যাস লিখেছেন। সেই শরৎচন্দ্রই লিখেছিলেন ‘পথের দাবী’, যা একসময় ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত ও নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। ছবির পুরো টিমকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।” এর আগে সৃজিতের ‘পদাতিক’ ছবির জন্যও শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইট করেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ বিরোধিতায় পাশাপাশি রাজ-উদ্ধব, বিক্ষোভে উত্তাল মুম্বই
মুম্বই থেকে আসা এই অভাবনীয় প্রশংসায় উচ্ছ্বাস চেপে রাখতে পারেননি সৃজিত মুখোপাধ্যায়। অমিতাভের পোস্টটি নিজের দেওয়ালে শেয়ার করে অত্যন্ত বিনীতভাবে তিনি লেখেন, “স্যার, আপনার শুভকামনা ও আশীর্বাদের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আমাদের গোটা টিমের কাছে এই মুহূর্তের গুরুত্ব অপরিসীম।
অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের দাবী’-র শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে নির্মিত হয়েছে এই ঐতিহাসিক ড্রামা। ১৯২৬ সালে প্রকাশিত এই রাজনৈতিক উপন্যাসের ব্রিটিশদের দ্বারা নিষিদ্ধ হওয়া এবং শাসকের রক্তচক্ষুর বিরুদ্ধে কলমের যে লড়াই, তাই পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক।
আরও পড়ুন: হাসিনার প্রত্যর্পণে ‘ডেডলাইন নেই’! দিল্লির বার্তায় ফের প্রকাশ্যে ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েন
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী। বিপ্লবী ‘সব্যসাচী’র চরিত্রে দেখা যাবে আবীর চট্টোপাধ্যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চরিত্রে সঞ্জয় নাগ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে মিমি চক্রবর্তী, দিব্যাণী মণ্ডল, ঋক চট্টোপাধ্যায় ও কাঞ্চন মল্লিককে দেখা যাবে।
প্রদীপ কুমার নন্দী প্রযোজিত এই ছবিতে সৃজিত মুখোপাধ্যায় নিজেই প্রথমবার মিউজিক ডিরেক্টর বা সংগীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছেন। আগামী ১৫ অক্টোবর দুর্গাপুজোর আবহেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি। মুক্তির আগেই খোদ শাহেনশাহের এই দরাজ শংসাপত্র যে ছবির উন্মাদনা আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল, তা বলাই বাহুল্য।















