তরুণ প্রজন্মের মননশীল বিকাশকে আরও সুদৃঢ় করতে শহরের অ্যাক্রোপলিস মলে অনুষ্ঠিত হল 'তৃতীয় ইনভাইটেশনাল স্কুল চেস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬'। বেঙ্গল চেস অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় কলকাতার প্রায় ৬০টি স্কুলের ১৫০ জনেরও বেশি খুদে দাবাড়ু অংশ নেয়। রবিবার দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে এই টুর্নামেন্ট। ডন বসকো স্কুল, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুল, মহাদেবী বিড়লা হাইস্কুল, লক্ষ্মীপত সিংহানিয়া একাডেমি, ডিপিএস রুবি পার্ক, সাউথ পয়েন্ট হাইস্কুল, ক্যালকাটা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, দ্য হেরিটেজ স্কুল এবং লা মার্টিনিয়ার ফর বয়েজের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
ছয় রাউন্ডের FIDE Swiss League ফরম্যাটে আয়োজিত হয় এই প্রতিযোগিতা। তীব্র লড়াইয়ের পর ব্যক্তিগত বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় লক্ষ্মীপত সিংহানিয়া একাডেমির সৌম্যদীপ নাথ (৬ পয়েন্ট)। সুইস টাই-ব্রেক নিয়মের ভিত্তিতে সমসংখ্যক (৬ পয়েন্ট) পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ফিউচার ফাউন্ডেশন স্কুলের ঔরিনজয় মুখোপাধ্যায়। এছাড়া ৫.৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করে লক্ষ্মীপত সিংহানিয়া একাডেমিরই দর্শ মুরারকা। দলগত বিভাগে ১৬.৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করে 'বেস্ট স্কুল'-এর খেতাব অর্জন করে 'লক্ষ্মীপত সিংহানিয়া একাডেমি স্কুল'। ১৪.৫ পয়েন্ট নিয়ে রামমোহন মিশন স্কুল দ্বিতীয় এবং ১২.৫ পয়েন্ট নিয়ে বিডিএম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল তৃতীয় স্থান লাভ করে। পাশাপাশি, বিভিন্ন বয়সের বিভাগে তরুণ প্রতিযোগীদের হাতে মোট ৪৭টি ট্রফি তুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে নামী ১৩ রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ তুকারামের! কে এই রিয়েল লাইফ সিংঙ্ঘম
গ্র্যান্ডমাস্টার মিত্রাভ গুহ এবং উইমেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিশা মোহতার মতো দাবাড়ুদের উপস্থিতি এই প্রতিযোগিতার আকর্ষণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অনুষ্ঠানে মার্লিন গ্রুপের রিটেল অ্যান্ড হসপিটালিটির কর্পোরেট সিজিএম শুভদীপ বসু বলেন, "অ্যাক্রোপলিস মলে এই প্রতিযোগিতার তৃতীয় সংস্করণ আয়োজন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। চিরাচরিত ইনডোর ভেন্যুর বাইরে মল যে একটি চমৎকার কমিউনিটি স্পেস হতে পারে, তা এই বিপুল সাড়া থেকেই প্রমাণিত। দাবা ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়, যা শিক্ষার্থীদের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে।" বেঙ্গল চেস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে অতানু লাহিড়ী মার্লিন গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, "জনবহুল শপিং মলের প্রাণবন্ত পরিবেশের সঙ্গে দাবাড়ুদের প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছে এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে।"
















