দিঘায় (Digha) বেড়াতে এসে বিপত্তি। উত্তাল সমুদ্রে তলিয়ে গেল ১৪ বছরের এক কিশোরী। বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে স্পিডবোট নামিয়ে তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে প্রশাসন। তবে খারাপ আবহাওয়া এবং সমুদ্রের উত্তাল পরিস্থিতির কারণে বার বার ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকাজ। রাত পর্যন্ত নিখোঁজ কিশোরীর কোনও সন্ধান মেলেনি।
আরও পড়ুন: নিম্নচাপের বৃষ্টির মাঝে সাঁকরাইলে হঠাৎ ঘূর্ণিঝড়, রক্ষা পেল এলাকা
নিখোঁজ কিশোরীর নাম কাশ্মীরা খাতুন। নৈহাটি (Naihati) থেকে বাবা, মা এবং দিদির সঙ্গে দিঘায় বেড়াতে এসেছিল সে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দিঘার হাসপাতালের সামনের একটি তুলনামূলক নির্জন সৈকতে গিয়েছিল কাশ্মীরা। অভিযোগ, সমুদ্রে নামার উপর প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বেলা ২টোর পর সেখানে স্নান করতে নামে পরিবারটি।
আরও পড়ুন: উর্দি পরে বিজেপির মঞ্চে সংবর্ধনা! বামনগাছি ফাঁড়ির ওসিকে ক্লোজড করার নির্দেশ
সকাল থেকেই নিম্নচাপের প্রভাবে দিঘার সমুদ্র যথেষ্ট উত্তাল ছিল। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করে মাইকিং চলছিল। সৈকতে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু হাসপাতালের সামনের ওই অংশটি তুলনামূলক ফাঁকা হওয়ায় সেখানে পর্যটকদের আনাগোনা কম ছিল। ফলে নজরদারিও অন্য অংশের তুলনায় কিছুটা কম ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
পরিবারের সদস্যদের সামনেই আচমকা সমুদ্রের জলে তলিয়ে যায় কাশ্মীরা। খবর পেয়ে দ্রুত তল্লাশি শুরু করে প্রশাসন। স্পিডবোট নামিয়ে সমুদ্রের বিভিন্ন অংশে খোঁজ চালানো হয়। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকারীদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। কী ভাবে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পরিবারটি ওই নির্জন সৈকতে পৌঁছল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি গভীর নিম্নচাপ বুধবার রাতে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সেটি ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এর প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলে ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বাংলার উপকূলেও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্রবার পর্যন্ত সমুদ্র উত্তাল থাকতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
















